© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানের বিদায়ে গান গেয়েছেন, নেচেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা

শেয়ার করুন:
ইরানের বিদায়ে গান গেয়েছেন, নেচেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:০৫ এএম | ০১ জুলাই, ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইরানের বিদায়ের পর বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সচিব মার্কওয়েইন মুলিন। তিনি জানিয়েছেন, ইরান টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ায় তিনি ‘খুবই খুশি’ এবং দলটির যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়াতেও স্বস্তি পেয়েছেন। প্রতিবেদন ইএসপিএন-এর। 

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচই ড্র করলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ইনজুরি সময়ে করা একটি গোল অল্পের জন্য অফসাইডের কারণে বাতিল হওয়ায় শেষ ৩২-এ ওঠার সুযোগও হাতছাড়া হয়।

বিশ্বকাপ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ তোলে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। প্রধান কোচ আমির গালেনোয়ি দাবি করেছিলেন, এই বিশ্বকাপে তার দলই ছিল ‘সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত’।



এদিকে বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে মার্কওয়েইন মুলিন বলেন, ‘আমি শুধু খুশি যে তারা (ইরান) বিদায় নিয়েছে এবং আর ফিরে আসছে না। তাদের ভিসা বাতিল করে যখন জানানো হলো যে তারা যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে পারে, তখন আমি এতটাই খুশি ছিলাম যে হয়তো দু-একটি গানও গেয়েছি, এমনকি আনন্দে নেচেও ফেলেছি।’

বিশ্বকাপের আগে অ্যারিজোনার টাকসনে বেস ক্যাম্পের বদলে মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিজুয়ানায় ঘাঁটি গড়তে বাধ্য হয় ইরান। তবে তাদের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে- প্রথম দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং শেষটি সিয়াটলে।

ইরানের অন্যতম অভিযোগ ছিল, প্রতিটি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে মেক্সিকোতে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুলিন বলেন, ‘এটি ছিল আমাদের মধ্যে হওয়া একটি সমঝোতা। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তারা যেন তাদের হোটেল ও বেস ক্যাম্পে ফিরে যায়, কারণ সেখানে তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ফিফার সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল।’

মুলিন আরও দাবি করেন, ইরানের খেলোয়াড় নন এমন প্রতিনিধি দলের ‘প্রায় অর্ধেকের’ সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সরাসরি সম্পর্ক ছিল। যদিও এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ফিফা।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন