© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ

শেয়ার করুন:
১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২৯ পিএম | ০৪ জুলাই, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) নিয়ে আপত্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাকে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ঢাবির গবেষণা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দেয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৩৩তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী তন্ময় কুমার সাহা সংশ্লিষ্টদের ঠিকানায় এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। ব্যারিস্টার ফুয়াদ ছাড়াও নোটিশের অনুলিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার (১ জুলাই) ডাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এর স্নাতক এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। তিনি গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের জাতীয় ক্ষতির জন্য দায়ী করেন এবং শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বিদ্বেষমূলক ও বিভাজন সৃষ্টিকারী বক্তব্য দেন। এসব মন্তব্যের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে মূলধারার ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

এর পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে, যেন এই অর্থ একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহার করা যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন (পিআইএল) দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন