‘সুখ খুঁজে নিতে কখনও দেরি করতে নেই’-আমিরকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে সালমানের প্রাক্তন
ছবি: সংগৃহীত
০৫:১৪ পিএম | ০৪ জুলাই, ২০২৬
রাত পোহালেই গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করবেন আমির খান। বছর দুয়েকের প্রেমের মধুরেণ সমাপয়েৎ। ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’-এর বিয়ের খবরে ইতিমধ্যেই মায়ানগরীর সেলেবপাড়ায় উন্মাদনার পারদ তুঙ্গে। এর মাঝেই হবু দম্পতিকে শুভেচ্ছায় ভরালেন সালমান খানের প্রাক্তন প্রেমিকা সোমি আলি। তাঁর শুভেচ্ছাবার্তার প্রতিটি ছত্রে যেন ফুটে উঠেছে ভাইজানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনের যন্ত্রণা!
যে কোনও বয়সেই সুখের সন্ধান পাওয়া যায়, সুখকে দু’হাত বাড়িয়ে আগলে নিতে হয়-এই পংক্তিগুলো যে দ্ব্যর্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন তা বলাই বাহুল্য। আমির-গৌরীর বিয়ের অগ্রিম শুভেচ্ছাবার্তায় ঠিক কী লিখেছেন সোমি আলি? বিটাউনের হবু নবদম্পতিকে নতুন জীবনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছাবার্তায় লিখেছেন, ‘এই নতুন অধ্যায় আনন্দ, ভালোবাসা ও পরিপূর্ণতায় ভরে উঠুক।’ সেই সঙ্গে আবেগপ্রবণ হয়ে আরও একটি লাইন যোগ করেছেন। যেখানে লেখা, ‘সুখ খুঁজে নিতে কখনও দেরি করতে নেই।’
আমির-গৌরীর বিয়ে নিয়ে যখন একাংশ কটাক্ষ করছে তখন তাঁদের ভালোবাসাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন সোমি। ইনস্টাগ্রামে যুগলের একটি ছবি পোস্ট করে সোমি আলি লেখেন, ‘গৌরী ও আমিরের জন্য ভালোবাসা কখনও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আসে না। জীবনের যে কোনও বয়সে এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া যাঁর সঙ্গে পুরো জীবন কাটানো যায়। ২০ বছর বয়সে ভালোবাসা পাওয়ার মতোই সুন্দর। সুখকে খুঁজে নিতে কখনও দেরি করতে নেই। যে হৃদয় ভালোবাসার জন্য উন্মুক্ত, তাকে উদযাপন করা উচিত, সমালোচনা নয়। বয়স বছর দিয়ে মাপা হয়, কিন্তু ভালোবাসা মাপা হয় স্মৃতিময় মুহূর্ত দিয়ে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘তোমরা পরস্পরকে খুঁজে পেয়েছ তার জন্য অনেক অভিনন্দন। অনেকেই সারাজীবন সঠিক মানুষটির খোঁজে কাটিয়ে দেন। যদি সেই যাত্রার শেষ পরিণতি বিয়ে হয় তাহলে কোনওভাবেই দেরি করা উচিত নয়। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করার সাহস সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তোমাদের দু’জনের জীবনে আজীবন আনন্দ, হাসিতে ভরে উঠুক সেই কামনাই করি। ভালোবাসার গল্প কবে শুরু হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং কতটা গভীরভাবে সেই ভালোবাসা বেঁচে থাকে, সেটাই আসল।’
নিন্দুকদের উদ্দেশে বলেন, ‘যাঁরা আজ তোমাদের বয়স নিয়ে বিচার করছেন একদিন হয়তো তাঁরাও বুঝবেন সুখের কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। বয়সবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী কিন্তু একসঙ্গে বুড়িয়ে ওঠা এক অমূল্য উপহার।
জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য অল্প বয়সে বিয়ে করা নয় বরং এমন একজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া যাঁর সঙ্গে সারাজীবন কাটানো যায়। এই অনুভূতিগুলো জীবনের যে কোনও পর্যায়ে সুখকে গ্রহণ করার স্বাধীনতাকে উদযাপন করে।”
এমআই/টিকে