হালান্ডকে মেসেজ পাঠিয়ে টম হল্যান্ডের অভিজ্ঞতা : ‘কোনো উত্তরই আসেনি’
ছবি: সংগৃহীত
০২:৪৬ পিএম | ১৫ জুলাই, ২০২৬
ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে মেসেজ পাঠিয়েও কোনো উত্তর পাননি হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা টম হল্যান্ড। সম্প্রতি ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া এই মজার ঘটনাটি নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন দুই তারকা।
তবে মেসেজের উত্তর না পেয়ে কোনো ক্ষোভ মনে না রেখে বিষয়টিকে বেশ মজার ছলেই দেখছেন স্পাইডার-ম্যান খ্যাত অভিনেতা হল্যান্ড।
সম্প্রতি মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’-র প্রচারণায় জিমি ফ্যালনের ‘দ্য টুনাইট শো’-তে হাজির হয়ে টম হল্যান্ড এই মজার অভিজ্ঞতাটি শেয়ার করেন। মোনাকো গ্রাঁ প্রি দেখার সময় উল্টো দিকের একটি স্যুটে ফুটবলার হালান্ডকে দেখতে পেয়ে তাকে রাতের খাবারের আমন্ত্রণ জানিয়ে একটি টেক্সট পাঠান হল্যান্ড।
হাসতে হাসতে হল্যান্ড বলেন, ‘আমি ভাবলাম তাকে টেক্সট করি এবং ডিনারে নিয়ে যাই।
কিন্তু ওপাশ থেকে কোনো উত্তরই আসেনি। এমনকি ‘আজ রাতে আমি ব্যস্ত’—এমন কোনো অজুহাতও মেলেনি। একদম নীরবতা। অভিনেতাদের মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য এমন অভিজ্ঞতার খুব প্রয়োজন।
’ তবে উত্তর না পেলেও হালান্ডকে একজন ‘প্রকৃত কিংবদন্তি’ ও চমৎকার মানুষ বলে প্রশংসা করেছেন হল্যান্ড।
এদিকে ফুটবল তারকা হালান্ড নরওয়ের একটি অনুষ্ঠানে নিজের ভুল স্বীকার করে পুরো ঘটনাটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। মূলত পরিচয় না জানার কারণেই এমনটি ঘটেছিল বলে জানান তিনি। ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার বলেন, ‘সত্যি বলতে, বিষয়টি বেশ বিব্রতকর। আমি সিনেমা খুব একটা দেখি না, তাই পর্দার তারকাদের সবাইকে চিনি না।
অপরিচিত একজন আমাকে ডিনারের দাওয়াত দিয়ে মেসেজ পাঠিয়েছিল, তাই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করিনি।’ পরে মেসেজদাতা যে স্বয়ং স্পাইডার-ম্যান টম হল্যান্ড ছিলেন তা জানতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন হালান্ড এবং দ্রুতই হল্যান্ডকে মেসেজ পাঠিয়ে এই ভুলের প্রতিকার করার কথা জানান।
জিমি ফ্যালনের শো-তে টম হল্যান্ড এসেছিলেন নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের হোমারের মহাকাব্য ভিত্তিক সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’-র প্রচারণায়। তারকাবহুল এই সিনেমায় ওডিসিউসের পুত্রের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি, যা আগামী ১৭ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে। এ ছাড়া ৩১ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে হল্যান্ডের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’। জেন্ডায়া, মার্ক রাফালো অভিনীত এই ছবিটি ‘নো ওয়ে হোম’ সিনেমার চার বছর পরের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে।
কেএন/এসএন