গোল্ডেন বুট জিততে মেসির সামনে কঠিন সমীকরণ
ছবি: সংগৃহীত
১০:০৪ এএম | ১৯ জুলাই, ২০২৬
১০ গোলের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ৪-৬ ব্যবধানে জিতেছে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে জোড়া গোলে আসরে কিলিয়ান এমবাপের গোলসংখ্যা এখন ১০। ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাওয়া লিওনেল মেসির অবস্থান তার ঠিক পেছনে ৮ গোল নিয়ে। অর্থাৎ গোল্ডেন বুট জিততে হলে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে অন্তত দুই গোল করতেই হবে। তবে শুধু দুই গোল করলেই হবে না, সমীকরণে আছে অ্যাসিস্ট ও মাঠে খেলার সময়ও।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী গোল্ডেন বুট নির্ধারণে প্রথমে দেখা হয় গোলসংখ্যা। সমান হলে বিবেচনায় আসে অ্যাসিস্ট, আর সেখানেও সমতা থাকলে কম মিনিট খেলা ফুটবলার পুরস্কার জেতেন।

ফাইনালের আগে শীর্ষ পাঁচ
কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স): ৭৬৪ মিনিট খেলে ১০ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৭১২ মিনিট খেলে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট
ওসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): প্রায় ৬৮৪ মিনিট খেলে ৭ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট
জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড): ৬৯২ মিনিট খেলে ৭ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট
আরলিং হালান্ড (নরওয়ে): ৫৩৭ মিনিট খেলে ৭ গোল , ০ অ্যাসিস্ট
কী করলে জিতবেন মেসি?
এক গোল করলে মেসির গোল হবে ৯টি। এমবাপের ১০ গোল স্পর্শ করতে পারবেন না। ফলে গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ থাকবে না। হ্যাটট্রিক করলে মেসির গোল হবে ১১টি। এমবাপেকে ছাড়িয়ে প্রথমবারের মতো গোল্ডেন বুট জিতবেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সমীকরণ লাগবে না।
দুই গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করলে মেসি ও এমবাপে দুজনেরই গোল হবে ১০টি। তবে মেসির অ্যাসিস্ট হবে ৫টি, এমবাপ্পের ৪টি। ফলে টাইব্রেকারে এগিয়ে থেকে গোল্ডেন বুট জিতবেন মেসি।
শুধু দুই গোল করলে এক্ষেত্রে দুজনেরই গোল ও অ্যাসিস্ট সমান (১০ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট) থাকবে। তখন সিদ্ধান্ত হবে মিনিট খেলার হিসাব দেখে। মেসি এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৭১২ মিনিট, যা এমবাপের চেয়ে ৫২ মিনিট কম। অর্থাৎ ১০ গোলে সমতা আনতে চাইলে তাকে ফাইনালে জোড়া গোল করে প্রায় ৫২ মিনিটের আগেই মাঠ ছাড়তে হবে। এর বেশি সময় খেললে মোট মিনিট এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে যাবে, ফলে গোল্ডেন বুট জিতবেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালে শুধু শিরোপাই নয়, ব্যক্তিগত আরেকটি বড় অর্জনের লড়াইও অপেক্ষা করছে মেসির সামনে। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ও আর্জেন্টিনার চতুর্থ শিরোপার পাশাপাশি ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগও হাতছানি দিচ্ছে তার সামনে।
আরআই/টিকে