প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি ভিনি
ছবি: সংগৃহীত
০২:১৬ পিএম | ২৩ জুলাই, ২০২৬
রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র চিবুকে কসমেটিক সার্জারি করানোর পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ইনফ্লুয়েন্সার প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকা। তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৬ বছর বয়সি ভিনিসিয়ুস বিশ্বকাপ শেষে চিবুকের সৌন্দর্যবর্ধক অস্ত্রোপচার বা ‘চিন হারমোনাইজেশন’ করিয়েছেন। সার্জারির পর ব্রাজিলের গোইয়ানিয়ায় ভার্জিনিয়ার নতুন জিম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রথমবার প্রকাশ্যে উপস্থিত হন তিনি।
একটি ব্রিটিশ ট্যাবলয়েডের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অনুষ্ঠানে ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়াকে চুম্বন করতে দেখা যায়। পরে সামাজিক মাধ্যমে ভার্জিনিয়া লেখেন, ‘আরেকটি স্বপ্নপূরণ হলো! আমাদের @ওয়েজিম-ব্রাকে সমর্থন জানাতে যারা এসেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ। আশা করি গোইয়ানিয়ার সবাই আমাদের জিমে এসে অনুশীলন করবেন।’
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম টিএমসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর গোইয়ানিয়াতেই ভিনিসিয়ুস চিবুকের হারমোনাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. আলেসান্দ্রো আলারকাওয়ের সঙ্গে তোলা একটি ছবিতে তার চিবুক আগের তুলনায় আরও সুগঠিত ও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠতে দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কসমেটিক চিকিৎসার খরচ পদ্ধতি ও জটিলতার ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়ে থাকে। যুক্তরাজ্যে এর ব্যয় সাধারণত ৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার পাউন্ড বা তারও বেশি হতে পারে।
এদিকে ভিনিসিয়ুস ও ভার্জিনিয়ার একসঙ্গে প্রকাশ্যে আসা তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ভার্জিনিয়া বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তাদের একাধিকবার একসঙ্গে দেখা গেছে। ২০২৫ সালে প্রথমবার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়ানোর পর থেকেই দুজনের সম্পর্ক ছিল ওঠানামার মধ্যে।
চলতি মাসে একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে একসঙ্গে সময় কাটানোর ছবি প্রকাশের পর থেকেই তাদের সম্পর্কে ফের জোড়া লাগার আলোচনা শুরু হয়। বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের কয়েক দিন পর বিকিনি পরা ভার্জিনিয়াকে ভিনিসিয়ুসের কোলে বসে থাকতে দেখা গেলে তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।
মাঠের পারফরম্যান্স নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভিনিসিয়ুস। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তিনি চার গোল করলেও নকআউট পর্বে আর গোলের দেখা পাননি। শেষ ষোলোতে আরলিং হালান্ডের নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে পেনাল্টি না নেওয়ার সিদ্ধান্তও সমর্থকদের ক্ষোভ বাড়ায়। তখন ম্যাচের স্কোর ছিল ০-০, তবে ব্রুনো গিমারেস পেনাল্টি মিস করেন। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর ব্রাজিল দলে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব কমসংখ্যক ফুটবলার সমর্থকদের মুখোমুখি হওয়ায় দেশটির ফুটবল মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
আরআই/এসএন