© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ

শেয়ার করুন:
পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না: হাসনাত আব্দুল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:০৭ এএম | ২৮ জুলাই, ২০২৬
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, 'পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না। ওখান থেকে আসার কথা বলে নেতাকর্মীদেরকে বের করবে, আর তারা গণপিটুনি খাবে।' 

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে মেহেরপুরের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা' সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রীকে 'সাইকো' উপাধি দিয়ে তিনি বলেন, 'সংসদে ক্ষমা চাইবেন, আবার শিক্ষকদের বদলি করে প্রতিশোধও নেবেন। মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের ব্যর্থতা কলেজের নিরীহ শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন, বদলি করেছেন অন্যত্র।'

তিনি আরও বলেন, 'মিলন সাহেব, আমরা আপনার অতীত জানি, আপনার পরিবারের দুর্নীতি সম্পর্কে জানি। নিজেদের ছেলেকে বিদেশে পড়ালেখা করান, আর আমাদের উপদেশ দেন নেতাদের পেছনে রাজনীতি করার।'

সালাউদ্দীন আহম্মেদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'তার সম্পদ কমেনি, আগের চাইতে ২৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আসলে বিএনপি কোনো নিরপেক্ষতা চায় না; বরং তারা আওয়ামী লীগের মতো দখলদার রাজনীতি করতে চায়।'

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আখতার হোসেন বলেন, 'আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অতিষ্ঠ হয়ে দেশের মানুষ সংস্কার চেয়েছিল। অথচ ভোট হওয়ার পর বিএনপি ও তার শরিক দলগুলো আর সংস্কার চায় না। ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় বিএনপি কিছু কিছু বিষয়ে 'নোট অব ডিসেন্ট' দিয়েছিল। আর গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন 'নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি। এখন তারা বিএনপির সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বিএনপির সুরেই কথা বলছে।'

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এখন তারা তা মানতে চাইছে না। জনগণের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তাই ক্ষমতায় থাকতে হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। কোনো ধরনের দখলের রাজনীতি কেউ মেনে নেবে না।'

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণ) ডা. মাহমুদা মিতু এমপি, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম এমপি, আলী আহসান জুনায়েদ, সরওয়ার তুষার এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট শাকিল আহমাদ।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চুয়াডাঙ্গার পদযাত্রা শেষে মেহেরপুরের গাংনীতে পৌঁছায় এনসিপির গাড়িবহর। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তারা।

এর আগে, সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পোস্টার সংবলিত কুশপুত্তলিকা এবং দুপুরে মঞ্চের ১০ মিটারের মধ্যে থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় নানা শঙ্কা সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই সমাবেশটি সম্পন্ন হয়।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন