ফাইনালের পর হাতাহাতি: যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা
ছবি: সংগৃহীত
০২:১৭ এএম | ৩০ জুলাই, ২০২৬
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ফুটবলারদের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলাভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে ফিফা। যার মধ্যে ফকল্যান্ডের ব্যানার প্রদর্শন ও ফাইনালে খেলোয়াড়দের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলোও রয়েছে।
গত সপ্তাহে, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই বিষয়ে মূল্যায়ন করার জন্য একজন শৃঙ্খলা ও নীতি বিষয়ক প্রসিকিউটর নিযুক্ত করে। জুলাই মাসে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজয়ের পর একাধিক আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় এবং ব্যাকরুম স্টাফ স্পেনীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন।
প্রসিকিউটরের সুপারিশের ভিত্তিতে, ফিফা আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় নাহুয়েল মলিনা (দুটি অভিযোগ) এবং লিয়ান্দ্রো পারেদেস (তিনটি অভিযোগ) এবং সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালার (একটি অভিযোগ) বিরুদ্ধে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোডের ১৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী ‘আক্রমণমূলক আচরণ’ বা অ্যাসল্টের অভিযোগে তদন্ত করবে।
মলিনা ১৪ নম্বর ধারার অধীনে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের একটি অভিযোগে অতিরিক্ত শাস্তির মুখেও পড়তে পারেন। তার সতীর্থ থিয়াগো আলমাদা এবং স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির বিরুদ্ধেও একই ধরনের বিধান ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী, অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা অন্তত এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এবং আক্রমণের জন্য কমপক্ষে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারেন।

এ ছাড়া আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) একাধিক ম্যাচে বিভিন্ন নিয়ম ভঙ্গের কারণে শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে কোনও ক্রীড়া অনুষ্ঠানকে অ-ক্রীড়াসুলভ প্রদর্শনীতে ব্যবহার করা (ধারা ১৩), দলের বিশৃঙ্খলা (ধারা ১৪), বৈষম্য ও বর্ণবাদী আচরণ (ধারা ১৫) এবং ম্যাচের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়া (ধারা ১৭)।
শেষের অভিযোগটি বৈষম্যমূলক গান ও অঙ্গভঙ্গি, নির্ধারিত সময়ের পর খেলা শুরু করা, দল ও দর্শকদের অনুচিত বার্তা প্রদর্শন এবং গ্যালারি থেকে বস্তু ছুড়ে মারার সঙ্গে সম্পর্কিত।
উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর তাদের দেশের দাবির সমর্থনে একটি ব্যানার নিয়ে উদযাপন করেছিলেন। ব্যানারে লেখা ছিল ‘ফকল্যান্ডস আর্জেন্টিনার সম্পত্তি’।
একেএস/টিএ