© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভারতীয় গরু নিলামকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত হাতাহাতি

শেয়ার করুন:
ভারতীয় গরু নিলামকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত হাতাহাতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৫৭ এএম | ৩০ জুলাই, ২০২৬
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির হাতে আটক হওয়া ভারতীয় গরুর প্রকাশ্য নিলামকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রৌমারী উপজেলা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে রৌমারী উপজেলা চত্বরে স্থানীয় কাস্টমস কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ১০টি ভারতীয় গরুর প্রকাশ্য নিলামের আয়োজন করা হয়। এ সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে নিলামের লভ্যাংশ বণ্টন নিয়ে সমঝোতার আলোচনা শুরু হলে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ৫০ শতাংশ অংশ দাবি করেন।

অন্যদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ৩০ শতাংশ অংশ দিতে সম্মত হন। দাবি না মানায় দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা ভেঙে যায়। সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার দৃশ্য ‘আবু সাঈদ ইউনিট’ -এর সভাপতি মাহাবুব আলম তার মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে বাধা দেন। এসময় তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি বেঁধে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা পর্যায়ের নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উন্মুক্ত নিলাম প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়। এতে যুবদল কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা ইসরাফিল সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা দর হেঁকে ১০টি গরু কিনে নেন।

ঘটনার বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মো. হায়দার আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গরুর নিলাম নিয়ে বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু লোক সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সিন্ডিকেট করে নিচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের ছেলেদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে উভয় দল একসঙ্গে বসে মীমাংসার চেষ্টা করছি।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু বলেন, গরুর নিলামকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সেখানে মূল বিএনপির কোনো নেতাকর্মী ছিল না, তবে যুবদল ও ছাত্রদলের কিছু ছেলে ছিল। বিএনপি কোনোভাবেই এ ধরনের বিশৃঙ্খলা সমর্থন করে না। জামায়াতের উপজেলা আমির হায়দার আলী ভাই আমাকে ফোন করেছিলেন বিষয়টি নিয়ে আমরা বসে সমাধানের চেষ্টা করছি।

রৌমারী থানার ওসি কাওছার আলী জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকায় বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ ঘটেনি। এ ঘটনায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

একেএস/টিএ

মন্তব্য করুন