© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ঘাড় থেকে বোঝা নেমে গেছে, মনে হচ্ছে দুটো পাখা গজিয়েছে: পরীমণি

শেয়ার করুন:
ঘাড় থেকে বোঝা নেমে গেছে, মনে হচ্ছে দুটো পাখা গজিয়েছে: পরীমণি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০৮ পিএম | ৩০ জুলাই, ২০২৬
চার বছর আগে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ও কারাভোগ করেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। জেল থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বলতে দেখা যায়নি তাকে। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও চেপে রাখা অনুভূতি শেয়ার করলেন এই নায়িকা।

আইনি জট ও দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণার পর বর্তমান স্বস্তির অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে পরীমণি বলেন, “এই ছয় বছর ধৈর্যই আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি যে কী পরিমাণ হ্যাপি! মনে হচ্ছে ঘাড় থেকে সমস্ত বোঝা নেমে গেছে, মনে হচ্ছে দুটো পাখা গজিয়েছে।” 

সত্য কখনো চাপা থাকে না বলে মনে করেন পরীমণি। তার ভাষায়—“জেল থেকে বের হওয়ার পর এ বিষয়ে আমি একবারও কথা বলিনি। আমার শুধু মনে হয়েছে, সত্য একদিন ব্লাস্ট করে। আপনি যতই চাপা দিয়ে রাখেন, কোনো না কোনোভাবে তা বেরিয়ে আসে। যেমন কোনো অপরাধই নিখুঁত নয়, তেমনই কোনো সত্যও চিরদিন চাপা থাকে না।” 



পরীমণিকে গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। গ্রেপ্তারের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা তার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতি ছিল না। ঘটনার বিবরণ শুনে পরবর্তীতে তার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পূর্বপরিকল্পিত ছিল। তবে তিনি কোনো তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করেছেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।

কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর এমন লুকে ফ্রেম বন্দি হন পরীমণি। সেই সময়ে ছবিটি আলোচনার জন্ম দিয়েছিল 

মামলার ধরণ সম্পর্কে পরীমণি জানান, এটি কোনো ব্যক্তি উদ্যোগে করা মামলা ছিল না। তার বিরুদ্ধে মানুষকে বিরক্ত করা ও ব্ল্যাকমেইল করার মতো নানা মনগড়া অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বিচার ব্যবস্থার প্রতি নিজের শতভাগ আস্থার কথা জানিয়ে দৃঢ় কণ্ঠে পরীমণি বলেন, “আমি কখনো রাষ্ট্রকে চাপ দিইনি বা আহাজারি করিনি। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন সময় লাগুক, যত বছর হাজিরা দিতে হোক, আমি দেব। আমার বিশ্বাস, একদিন আদালত আমাকে নির্দোষ ঘোষণা করে সম্মান ফিরিয়ে দেবেন।” 

কথোপকথনের শেষ পর্যায়ে দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমণি বড় একটি বার্তা দেন। নিরাপত্তার বিষয়টি কেবল শিল্পীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের সর্বস্তরের মানুষের অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। পরীমণি বলেন, “শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।”

এসএন 

মন্তব্য করুন