৭ বছরের শিশুকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ, আটক মাদ্রাসা শিক্ষক
ছবি: সংগৃহীত
০১:৪০ পিএম | ০১ আগস্ট, ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আহম্মদ শেখ (৭) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক এনামুল মোল্লার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নিয়েছে মুকসুদপুর থানা-পুলিশ।
আহত আহম্মদ মোল্লা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সে উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন শেখের ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।
অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় শিক্ষক এনমুল মোল্লাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। আহম্মদ শেখের নামে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ দিয়ে, মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহম্মদের বাবা শাওন মোল্লা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমার ছেলেকে এমন নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবৎ এই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো দিতে পারে নাই। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেটাকে এভাবে পেটানো হয়েছে। আমি এই পাষণ্ড শিক্ষক এনামুলের কঠোর শাস্তি চাই।
অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি, পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে।
এবিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে আমাদের হেফাজতে রেখেছি। ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমআর/টিএ