© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিকেএসপি শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিয়ে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

শেয়ার করুন:
বিকেএসপি শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিয়ে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৪৭ পিএম | ০২ আগস্ট, ২০২৬
বিকেএসপির কারাতে বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসির আহমেদ জিম ২৯ জুলাই রাতে আকস্মিক মৃত্যুবরণ করেন। বিকেএসপি ক্যাম্পানে থাকাকালীন মেধাবী কারাতেকার মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ৫ সদস্যের কমিটি করেছে। এই কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক গতকাল এই প্রতিবেদককে বলেছিলেন, ‘বিকেএসপি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের আঁতুড়ঘর। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর অকালে চলে যাওয়া অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। বিকেএসপিতে থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনা আগে কখনো শুনিনি। তাই মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি করা হয়েছে। সেই কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহফুজুল আলম খানকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কর্নেল মো. গোলাম মাবুদ হাসান, পিএসসি, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এ, বি, এম এহছানুল মামুন এবং সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মমিনুল হাসান, মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া-১ অধিশাখার উপসচিব মো. মিজানুর রহমান এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিকেএসপি সংক্রান্ত তদন্তে বিকেএসপির এক কর্মকর্তা থাকায় কমিটির সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা হয়নি বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। 

বিকেএসপি কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা থেকে দেড়টার মধ্যে কোনো এক সময় অনুশীলন শেষে ফেরার পথে ক্যাম্পাসের একটি দেয়াল টপকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ইয়াসীন। ঘটনার পর ইয়াসীনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুরহস্যের জট খুলতে নবগঠিত তদন্ত কমিটিকে বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। একই সাথে ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রণয়ন করতে বলা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো সদস্যকে কো-অপ্ট করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।

এসএন 

মন্তব্য করুন