© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যে মামলা

শেয়ার করুন:
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যে মামলা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:২৪ পিএম | ০৪ আগস্ট, ২০২৬
জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধকরণ আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যে শুল্কারোপ করেছিলেন, তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দেশটির ২৫টি অঙ্গরাজ্য মামলা হযেছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার (৩ আগস্ট)  যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডে দায়ের করা মামলায় গত মাসে ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ককে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ‘লিবারেশন ডে’ শুল্ক বাতিল করে দেয়ার পর তিনি যে অস্থায়ী শুল্ক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তার মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন শুল্ক কার্যকর হয়।
 
নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টে হেরে যাওয়ার পর প্রশাসন আবারও অবৈধভাবে নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর করের বোঝা বাড়ানোর চেষ্টা করছে।’
 
ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করা ২৫টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ওরেগন ও নিউইয়র্কও রয়েছে। এসব অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল বা গভর্নর ডেমোক্র্যাট দলের।
 
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই নতুন শুল্ককে আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘কোনো বিদেশি দেশ যদি জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করতে বা সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও মার্কিন শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করা জরুরি।’
 
গত ২৪ জুলাই থেকে বাংলাদেশসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এই ব্যবস্থায় বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ও ১২.৫ শতাংশ হারে শুল্ক বসবে।
 
গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার আইনের আওতায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ ‘পারস্পরিক’ শুল্ক বাতিল করে দেয়। সেই রায়ের পর প্রায় সব আমদানির ওপর ন্যূনতম শুল্ক বজায় রাখার নতুন উপায় হিসেবে হোয়াইট হাউস এবার ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা ব্যবহার করছে।
 
ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া প্রায় ৯৯.৪ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে তেল ও গ্যাস, সার, নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্য এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে এই শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন