© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

দিল্লিতে মদ্যপ অবস্থায় পুলিশের ছেলের বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

শেয়ার করুন:
দিল্লিতে মদ্যপ অবস্থায় পুলিশের ছেলের বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:০২ পিএম | ০৮ আগস্ট, ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লির নারেলায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বেপরোয়া মার্সিডিজ গাড়ির ধাক্কায় এক প্রবীণ নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল আটটার দিকে মামুরপুরের হিমালয়া অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম উর্মিলা (৭০), তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা। অভিযুক্ত মার্সিডিজ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন হরিয়ানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টরের ছেলে শুভম। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় শুভম মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করেছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দ্রুতগতির মার্সিডিজ গাড়িটি একটি ওয়াগন-আর গাড়িকে সরাসরি ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতায় ওয়াগন-আর গাড়িটি পিছনের দিকে ছিটকে গিয়ে কিছুটা দূরে পার্ক করা একটি থ্রি-হুইলার লোডিং ভ্যানকে সজোরে আঘাত করে। এ সময় প্রাতঃভ্রমণরত উর্মিলা থ্রি-হুইলার এবং ওয়াগন-আর গাড়ির মাঝখানে আটকা পড়েন। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় ওয়াগন-আর গাড়ির চালক সামান্য আহত হয়েছেন, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, শুভম মদ্যপ অবস্থায় তীব্র গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর গাড়ির কাপ হোল্ডারে মদের বোতল রাখা থাকতে দেখা গেছে। জানা গেছে, বিলাসবহুল এই গাড়িটি শুভমের এক বন্ধুর এবং একদিন আগে ভ্রমণের জন্য তিনি সেটি ধার করেছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর শুভমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি মদ্যপ ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হতে পুলিশ এখন মেডিকেল রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অবহেলার কারণে মৃত্যু ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই দুর্ঘটনাটি শহরাঞ্চলে বেপরোয়া গতিতে বিলাসবহুল গাড়ি চালানোর বিপদকে আবারও সামনে এনেছে। এর আগে গত নভেম্বরে বসন্ত কুঞ্জ এলাকায় মার্সিডিজের ধাক্কায় এক রেস্তোরাঁ কর্মীর মৃত্যু এবং ২০২৪ সালে পুনেতে পোর্শে গাড়ির ধাক্কায় দুই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুর ঘটনাও একই ধরনের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ভয়াবহতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

কেএন/টিএ


মন্তব্য করুন