© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কীভাবে ধরা পড়লেন সালমান শাহ হত্যা মামলায় আত্মগোপনে থাকা ডন?

শেয়ার করুন:
কীভাবে ধরা পড়লেন সালমান শাহ হত্যা মামলায় আত্মগোপনে থাকা ডন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৪৫ পিএম | ০৯ আগস্ট, ২০২৬
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন খলচরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ডন। রোববার (৯ আগস্ট) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তারের পর সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে তাকে।

সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি আশরাফুল হক ডন। গত বছরের ২১ অক্টোবর মামলার পর আত্মগোপনে ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই খলনায়ক। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে যেতে চেয়েছিলেন সৌদি আরবে ওমরাহ করার জন্য। তবে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার সময় ধরা পড়েন তিনি।

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে এসব তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান।

তিনি বলেন, গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ডনকে গ্রেপ্তারের পর মামলার সালমান শাহ হত্যা মামলার কোনো অগ্রগতি হবে কি না- জানতে চাইলে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে মামলাটি সিআইডি অধিকতর তদন্ত করছে। নিশ্চয়ই মামলার অগ্রগতি হবে।

সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর গত বছর হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হকের আদালত। সে সময় আলোচিত এ মামলার আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। 

পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খলনায়ক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন