© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ডমিনোস পিৎজায় খাদ্যে ভেজাল: লাইসেন্স স্থগিত

শেয়ার করুন:
ডমিনোস পিৎজায় খাদ্যে ভেজাল: লাইসেন্স স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪৪ পিএম | ১৩ আগস্ট, ২০২৬
খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধির একাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ভারতের মহারাষ্ট্রে ডমিনোস পিৎজার চারটি আউটলেটের ব্যবসার লাইসেন্স স্থগিত করেছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। এর মধ্যে তিনটি আউটলেটই মুম্বাইয়ে। একই অভিযানে আরেকটি বড় ফাস্টফুড চেইনের আউটলেটের লাইসেন্সও স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুবিল্যান্ট ফুডওয়ার্কস পরিচালিত ডমিনোসের এসব আউটলেটে বিশেষ পরিদর্শনের পর বুধবার (১২ আগস্ট) লাইসেন্স স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানায় এফডিএ। গত ১০ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ পরিদর্শন অভিযানে এসব অনিয়ম ধরা পড়ে।

লাইসেন্স স্থগিত হওয়া মুম্বাইয়ের তিনটি ডমিনোস আউটলেট হলো পার্লে ওয়েস্ট, বরিবালি ওয়েস্ট এবং ঘাটকোপারের আর-সিটি মল। এ ছাড়া সাতারা জেলার কারাদের মালকাপুর এলাকার একটি ডমিনোস আউটলেটের লাইসেন্সও স্থগিত করা হয়েছে।

এফডিএ জানিয়েছে, এসব আউটলেটে খাবার সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণ, তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ, এলাকা জীবাণুমুক্তকরণ, খাবার পরীক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত রেকর্ড সংরক্ষণে গুরুতর ঘাটতি পাওয়া গেছে।

পার্লে ওয়েস্টের আউটলেটে কোমল পানীয় ও হিমায়িত খাবারের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং হাত ধোয়ার ব্যবস্থায় ত্রুটি পাওয়া যায়। ঘাটকোপারের আর-সিটি মল আউটলেটে পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণের নথি, ব্যবহৃত পাত্রের ফুড-গ্রেড সনদ এবং খাবার ও পানির পরীক্ষার রেকর্ডে ঘাটতি ধরা পড়ে।

সাতারার মালকাপুরের আউটলেটেও অবকাঠামো, সরঞ্জাম এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এফডিএ।

একই অভিযানে সাতারা জেলার কারাদের সেফায়ার ফুডস ইন্ডিয়া লিমিটেডের একটি আউটলেটের লাইসেন্সও স্থগিত করা হয়েছে। ভারতে কেএফসি, পিৎজা হাট ও ট্যাকো বেলের মতো জনপ্রিয় ফাস্টফুড ব্র্যান্ড পরিচালনা করে সেফায়ার ফুডস। ফলে এই অভিযানে মহারাষ্ট্রে বড় ফাস্টফুড চেইনের লাইসেন্স স্থগিত হওয়া আউটলেটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচটিতে।

সেফায়ার ফুডসের কারাদে অবস্থিত আউটলেটটিতে নিরামিষ ও আমিষ পিৎজা তৈরির ক্ষেত্রেও অনিয়ম পাওয়া যায়। এফডিএর তথ্য অনুযায়ী, দুই ধরনের পিৎজার জন্য আলাদা ওভেন বা যথাযথ পৃথকীকরণের ব্যবস্থা ছিল না। পাশাপাশি সস ও টপিংয়ের প্যাকেটে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখের তথ্যও স্পষ্ট ছিল না।

মহারাষ্ট্রজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে পরিচালিত বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এফডিএ। সংস্থাটি বলেছে, নিয়মিত পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নীতি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএন

মন্তব্য করুন