কালজয়ী সুরের জাদুকর সুবল দাসের প্রয়াণবার্ষিকী
ছবি: সংগৃহীত
০৪:২২ পিএম | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে’, ‘শত্রু তুমি বন্ধু তুমি’, ‘তুমি যে আমার কবিতা’, ‘এই পৃথিবীর পান্থশালায়’, ‘যখন থামবে কোলাহল’- এমন অসংখ্য কালজয়ী গানের সুরস্রষ্টা ও সংগীত পরিচালক ছিলেন প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ সুবল দাস।
বাংলা গানের জগতে অনন্য অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ থেকে আজীবন সম্মাননাসহ পেয়েছেন অসংখ্য স্বীকৃতি ও সম্মাননা। তাঁর সুর ও সংগীতায়োজন বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করেছে, যা আজও শ্রোতাদের মনে গভীরভাবে অনুরণিত হয়।
সঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রের প্রতি আগ্রহ থাকায় পরিবারের সম্মতিতে সুবল দাস, সেতার শিখেন ওস্তাদ খাদেম হোসেন খান এবং ওস্তাদ আয়াত আলী খান এর কাছ থেকে।
সঙ্গীতে পারদর্শিতা ঝালাই করতে তিনি, বন্ধুদের করা মঞ্চনাটকে সঙ্গীত পরিচালনা শুরু করেন। সঙ্গীতের প্রতি বড় বেশি আগ্রহ থাকায় একসময় ফুটবল খেলা ছেড়ে দিয়ে আত্মনিয়োগ করেন শুধু সঙ্গীতেই।
১৯৬৩ সালে ঢাকা রেডিওতে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন, আর ১৯৬৭ সালে টেলিভিশনে সুরকার হিসেবে যোগ দেন সুবল দাস ।
সুবল দাস ১৯৫৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ফতেহ লোহানী পরিচালিত 'আকাশ আর মাটি' ছবির সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আসেন । সুবল দাস সুরারোপিত ও সঙ্গীত পরিচালিত অন্যান্য উল্লােখযোগ্য ছবিসমূহের মধ্যে- কাজল, ইন্দন, সাতরং, আলিবাবা, জুলেখা, পিয়াসা, প্রীত না জানে রীত, কংগন,
১৯২৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এই গুণী শিল্পী। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি রেখে গেছেন অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি। ২০০৫ সালের ১৬ আগস্ট ৭৭ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন।
আজ তাঁর ২১তম প্রয়াণবার্ষিকী। কালজয়ী সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বাংলা গানের ভুবনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকা এই মহান সুরস্রষ্টার স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
কেএন/এসএন