© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে জামায়াতের ৪ দফা প্রস্তাব

শেয়ার করুন:
প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে জামায়াতের ৪ দফা প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১১ পিএম | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে তা বাস্তবায়নের অগ্রগতি ৯০ দিনের মধ্যে জাতির সামনে তুলে ধরারও আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

চলমান জ্বালানি সংকট ও উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তুলে ধরেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই বিরোধীদের উপর দায় চাপাচ্ছে। অথচ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তিন মাস আগেই সরকারকে ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে বিরোধী দল। যা সরকারের টেবিলেই আছে। কিন্ত সরকার সেগুলো বাস্তবায়ন না করে বিরোধীদের নিয়ে নানান মন্তব্য করছেন যা অনভিপ্রেত এবং দুঃখজনক।

বিরোধীরা ১৭ বছর মাঠে ছিল না— সরকারপ্রধানের এমন বক্তবের সমালোচনা করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে না থাকায় তিনি জামায়াতে ইসলামীকে মাঠে দেখেননি। এতগুলো জীবন গেল, ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছে, পুরো বিশ্বে দেখেছে, কিন্তু বর্তমান সরকার দেখেনি।

তিনি বলেন, বিরোধী দল সরকারকে ব্যর্থ দেখতে চায় না। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকুক, কিন্তু জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রতিযোগিতা হোক স্বচ্ছভাবে।

জ্বালানিসংকট নিরসনে স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) নিয়ে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল’ গঠনসহ সংবাদ সম্মেলনে চার দফা সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরে জামায়াত। দলটি নির্দিষ্ট আর্থিক সীমার মধ্যে জরুরি ওয়ার্কওভার ও সংস্কারকাজের অনুমোদনক্ষমতা রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের পরিচালনা পর্ষদে দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে বলেছে।

জামায়াতের অন্য প্রস্তাবগুলো হলো, রূপপুর বেজ লোড প্ল্যান্ট (পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র) উৎপাদনে এলে কখন আসবে এবং এর ট্যারিফ কী হবে, সেটি দেশের জনগণকে জানানো; জরুরি দরপত্র মূল্যায়নের জন্য স্থায়ী মূল্যায়ন ব্যবস্থা তৈরি করা এবং অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর জন্য একক তদারকি ব্যবস্থা করা, কোন ফাইল কোথায় কত দিন আটকে আছে, সেই তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা।

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, চট্টগ্রামের মহেশখালী ও পটুয়াখালীর পায়রায় টার্মিনাল করার কথা ছিল, সেটি হয়েছে কি না, তা জনগণ জানে না। খুলনার খালিশপুরে রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি তৈরি হলেও আজও কমার্শিয়াল উৎপাদনে যেতে পারেনি।

টিএ/

মন্তব্য করুন