এবার মামলা করলেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৪৭ পিএম | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভবনে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের ওপর হামলার অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী সালাহউদ্দিন আম্মার।
গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলাটি করেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিষয়টি জানা যায়।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অফিসে প্রবেশ, মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, ভাঙচুরসহ ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আজহারুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট থেকে ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনের জিএসের অফিসে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় আম্মার রাকসুর জিএসের অফিসে বসে দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবৈধভাবে সমবেত হয়ে তার অফিসের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে তার ২০২ নম্বর অফিস কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অফিসে প্রবেশের পর অভিযুক্তরা সালাহউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। তিনি এর প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুসি মেরে আহত করা হয়।
একই সঙ্গে তার অফিসের চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টেগেশন (পিবিআই) ঘটনার তদন্ত করছে।’
এ বিষয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমার সম্পাদকদের ওপর হামলা হয়েছে। এটা আমার কাছে মনে হয়, জাস্ট ফর কনসার্ন আর কিছুই না। এটা নিয়ে পরবর্তীতে একটা গেম খেলবে সরকার। এজন্য আমার সম্পাদকদেরকে ইনভলভ করে একটা মামলা করেছি। এটা শুধু কনসার্ন করে রাখা, এছাড়া আর কিছু না।’
আরআই/টিএ