আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আস্থা বাড়াবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
১০:১২ পিএম | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) পৃষ্ঠপোষকতায় গাম্বিয়ার করা মামলা রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের আস্থা বাড়াবে বলে মনে করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত গাম্বিয়ার অনাবাসিক হাইকমিশনার মোস্তফা জাওয়ারা সৌজন্য সাক্ষাতের সময় প্রতিমন্ত্রী এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে।
প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার মামলা দায়ের ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনার জন্য গাম্বিয়া সরকারের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এ মামলার সফল সমাপ্তি রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আস্থা বাড়াবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ জাতিসংঘ ও এর অঙ্গসংস্থা, ওআইসি, কমনওয়েলথ এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনসহ (ন্যাম) বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী গাম্বিয়ার হাইকমিশনারকে বাণিজ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), কৃষি, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, জাহাজ নির্মাণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গাম্বিয়ার হাইকমিশনার বাংলাদেশি আইসিটি বিশেষজ্ঞদের প্রশংসা করে বলেন, তারা গাম্বিয়ায় ডিজিটাল সরকারি সেবা অবকাঠামো বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
তিনি দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরামর্শ বিষয়ক চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।
এফআর/টিএ