© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ছাত্রাবাসের যৌথ বাথরুম পরিষ্কার করা নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা

শেয়ার করুন:
ছাত্রাবাসের যৌথ বাথরুম পরিষ্কার করা নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১২ এএম | ২০ আগস্ট, ২০২৬
ছাত্রাবাসের যৌথ বাথরুম পরিষ্কার করাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা, ইট দিয়ে আঘাত, কক্ষে আটকে রাখা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চন্দ্রিমা থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত হাসানুজ্জামানকে (লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বাসিন্দা) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন মেহেরচণ্ডী পূর্বপাড়ার ‘শুভ ভিলা’ নামের একটি বেসরকারি ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম লেবানন বম। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং ওই ছাত্রাবাসের নিচতলার একটি কক্ষে ভাড়া থাকেন।

মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বাথরুম অপরিষ্কার রাখা নিয়ে হাসানুজ্জামানের সাথে লেবানন বম ও অন্য এক আবাসিক শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাসানুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে লেবাননের কক্ষে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করেন এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। লেবানন তাকে শান্ত করতে গেলে তিনি গলার নালি চেপে ধরেন। প্রাণ বাঁচাতে লেবানন নিজেকে ছাড়িয়ে নিলে, হাসানুজ্জামান তাকে ইট দিয়ে পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন।

লেবানন চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত যুবক কক্ষের বাইরে থেকে দরজার হ্যাজবল লাগিয়ে তাকে ভেতরে আটকে রেখে চলে যান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে রাবি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন, একজন বহিরাগত ভাড়াটিয়া। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব বিধিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবিলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগপত্র মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

একেএস/টিএ

মন্তব্য করুন