© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভাঙা ব্যবস্থার পুনর্জাগরণ: সুস্বাস্থ্যের নতুন ভোরে বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ১৮০ দিন

শেয়ার করুন:
ভাঙা ব্যবস্থার পুনর্জাগরণ: সুস্বাস্থ্যের নতুন ভোরে বাংলাদেশ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ১৮০ দিন

ছবি: সংগৃহীত

সাব্বির আহমেদ | প্রেস সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
০৪:০৩ পিএম | ২১ আগস্ট, ২০২৬
"Prevention is better than cure" (প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম) নীতিকে ভিত্তি করে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন ও স্বাস্থ্যখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচনা করেছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ অর্জনের রূপরেখা প্রণয়নের পাশাপাশি তৃণমূলমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে পুরোদমে। সরকারের মূল লক্ষ্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবাকে শক্তিশালী কাঠামোতে দাঁড় করা। যার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এবং তার সূচনা পর্ব রচিত হলো ১৮০ দিনের মধ্যেই। আরেক বড় পদক্ষেপ ৫০০ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল তথা ১৫০ শয্যায় উন্নীত করে তৃণমূলের স্বাস্থ্য সেবায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ সূচিত হচ্ছে। সুস্বাস্থ্য সবার; ধনী-গরিব হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী বা অনাথ, শিশু বা বৃদ্ধ, নারী বা পুরুষ -সকলের মৌলিক এই অধিকার নিশ্চিতে সরকারের রয়েছে দৃঢ় অঙ্গীকার। স্বাস্থ্য খাতের সব ভাগে বৈপ্লবিক এই রূপান্তরের যে মহাযজ্ঞ এখন চলছে, তার সম্মুখভাগে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন ও দেশের স্বাস্থ্য খাতের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গতি এনেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাবনার সাথে প্রতিমন্ত্রী তাঁর বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও পেশাগত প্রজ্ঞার মেলবন্ধন ঘটিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিচ্ছেন এক অনন্য উচ্চতায়। 

দেশের স্বাস্থ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতই একমাত্র ব্যক্তি, যাঁর রয়েছে উচ্চতর মেডিকেল ডিগ্রি, বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার গভীর প্রাতিষ্ঠানিক প্রজ্ঞা। লন্ডন ও ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক পরামর্শক পদ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুদীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা— সংসদ সদস্য ও পরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে সবকিছুকে দেশের সেবায় উজাড় করে দিয়েছেন ড. এম এ মুহিত। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য ও চক্ষু বিশেষজ্ঞের উচ্চতর প্রজ্ঞা এবং মাটি ও মানুষের নেতার মেলবন্ধনে তাঁর দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিটি পদক্ষেপে একটি স্বনির্ভর ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলছে। সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন ও দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জনআস্থা ফেরাতে গত ১৮০ দিনে স্বাস্থ্যখাতে গৃহীত উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও অগ্রগতিসমূহ:

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্মার্ট ‘ই-হেলথ কার্ড’: দেশব্যাপী ডিজিটাল স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও ‘Health Data Architecture’ প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি নাগরিককে একটি অনন্য ‘ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড’ (E-Health Card)-এর আওতায় এনে তৃণমূল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র (Primary Health Care Unit)-এর সাথে যুক্ত করা হচ্ছে। যার সঙ্গে অতপ্রতভাবে ভাবে আছে রেফারেল সিস্টেম। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রেফারেল সিস্টেমের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিটি নাগরিককে একটি ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড দেওয়া হবে, যা সেন্ট্রাল ‘ইন্টিগ্রেটেড পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর সাথে যুক্ত থাকবে। স্বাস্থ্যকর্মী কার্ডটি রিড করার সাথে সাথেই সংগৃহীত স্বাস্থ্য তথ্য কেন্দ্রীয় সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হবে। বাধ্যতামূলক ইলেকট্রনিক রেফারেল সিস্টেম (যুক্তরাজ্যের NHS আদলে) সরাসরি উচ্চতর হাসপাতালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা পরবর্তী স্তরের হাসপাতালে যেতে হলে স্বাস্থ্যকর্মীর ডিজিটাল রেফারেল বাধ্যতামূলক। প্রাইমারি হেলথ সেন্টারের কাঠামোতে ইউনিয়ন পর্যায়ে 'ইউনিয়ন হেলথ সেন্টার' এবং শহর বা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ওয়ার্ড পর্যায়ে 'ওয়ার্ড হেলথ সেন্টার' থাকবে। প্রতিটি হেলথ সেন্টারের অধীনে ৩টি করে 'হেলথ হাব' থাকবে। প্রতিটি হেলথ হাবের সাথে ৩ থেকে ৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত থাকবেন। বর্তমানে বিচ্ছিন্নভাবে কাজ করা বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্মীদের (যেমন: HA, FWA, CHCP ইত্যাদি) একত্রিত করে একটি অভিন্ন স্বাস্থ্য জনবল তৈরি করা হচ্ছে, যারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা দেবেন। হেলথ হাব থেকে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের মূল দায়িত্ব হবে রোগ প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা।

প্রতিবন্ধীদের স্বাস্থ্যসেবায় যুগান্তকারী ‘শিশু স্বর্গ’ মডেল: কড়াইল বস্তিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য যাত্রা শুরু হয়েছে ‘শিশু স্বর্গ’ মডেলের।'শিশু স্বর্গ' মডেল হলো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও প্রতিবন্ধী শিশুদের সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা, শনাক্তকরণ ও পুনর্বাসনের একটি জাতীয় উদ্যোগ। ২০২৬ সালের ১৪ মে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এটি শিশুদের প্রতিবন্ধিতা দ্রুত শনাক্ত করে সময়মতো সহায়তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সার্বিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।প্রকল্পটি চলমান এবং ৫ বছরের মধ্যে সারাদেশের ছড়িয়ে যাবে।

'ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান' ও বিশেষায়িত চক্ষুসেবা: দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে শিশুদের চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়ার বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার আলোকে ড. এম এ মুহিতের উদ্যোগে প্রণীত হচ্ছে প্রথমবারের মতো যুগান্তকারী ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’। উপজেলা পর্যায়ে চক্ষু ইউনিট স্থাপন, ১০ লাখ ছানি অপারেশন, করমুক্ত সুবিধায় চোখের লেন্সের প্রাপ্যতা এবং স্কুল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চশমা ও স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী অন্ধত্ব দূরীকরণের সমন্বিত রূপরেখা এখন বাস্তবায়নের পথে। বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছে। ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে ‘স্পেক্স ২০৩০’ ইনিশিয়েটিভ।

জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ও কাঁচামালে শুল্কছাড়: সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভালভ, পেসমেকার, অক্সিজেনেটর ও ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কাঁচামালের ওপর বিদ্যমান ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহার বা কমানো হয়েছে।

রেকর্ড টিকাদান ও কোল্ড চেইন নিরাপত্তা: হাম-রুবেলা (MR) টিকাদানে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অর্থাৎ ১ কোটি ৯২ লাখের বেশি শিশুকে টিকা দিয়ে ১০৭% জাতীয় কভারেজ অর্জিত হয়েছে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ২৫ লাখের বেশি শিশুকে পুষ্টির আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া ৩ মাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহ প্রক্রিয়া ২১ দিনে নামিয়ে আনা এবং কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (CMSD) সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক নিরাপদ কোল্ড চেইন স্থাপন করা হয়েছে।

ব্যাপক জনবল নিয়োগ ও সুস্বাস্থ্য কর্মী: চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে ৫ হাজার নতুন এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়াসহ সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কর্মী (যার ৮০% নারী) নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করবে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও সিটিতে ৪৫ হাজার ৭১১টি ‘সুস্বাস্থ্য কর্মী’ পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত মেগা উন্নয়ন: দেশের ৪৪৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং ৮টি বিভাগে ৩,৫৩৪ শয্যার ক্যান্সার-কিডনি-হৃদরোগ কেন্দ্র নির্মাণে ৬৭% ভৌত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। পাশাপাশি নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করা হয়েছে।

৫ পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল: শিশু স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করার কাজ শুরু করেছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি হাসপাতাল চালু করা হচ্ছে। 

আইনি সংস্কার ও পেশাগত নিরাপত্তা: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও ক্যাডাভেরিক অঙ্গদানে ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০২৬’ যুগোপযোগী করা হয়েছে। চিকিৎসক ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সুরক্ষায় প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রজ্ঞা, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তৃণমূলের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাকে এক সুতোয় গেঁথে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ একটি আধুনিক, সুশাসিত ও আত্মমর্যাদাশীল 'সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ' বিনির্মাণে দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের ভেঙে পড়া দশা থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে ড. এম এ মুহিত বলেছেন, আমরা একটি সমন্বিত, সুলভ, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মানসম্মত সেবা পাবেন। সেই লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৯ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এই বিনিয়োগ কেবল অবকাঠামো নির্মাণের জন্য নয়; বরং মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবন নিশ্চিতকরণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠার একটি সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশই ঘটছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগের মতো দীর্ঘমেয়াদী অসংক্রামক ব্যাধিতে। এছাড়া ভবিষ্যৎ মহামারী মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরি এবং দ্রুত নগরায়ণের ফলে তৈরি হওয়া স্বাস্থ্য সংকটও বড় উদ্বেগের কারণ। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, দেশে চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই রোগীকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়, যা প্রতিবেশি ও অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি।
আমরা কেবল অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই; আমরা চাই স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত সংস্কার। এর মধ্যে রয়েছে অবকাঠামোগত পুনর্গঠন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি, চিকিৎসাপদ্ধতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিকেন্দ্রীকরণ এবং কেনাকাটায় পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

লেখক: সাব্বির আহমেদ | গণমাধ্যমকর্মী ও প্রেস সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
ইমেইল: sabbir.mc@gmail.com


মন্তব্য করুন