ইরান আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে: নেতানিয়াহু
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৪৩ এএম | ২৫ আগস্ট, ২০২৬
ইরান তার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার ইসরায়েলের সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ১৪-এর সঙ্গে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই দাবি করেন। তবে কখন বা কীভাবে এই হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল এবং ঠিক কোন ছেলেকে (আভনার নাকি ইয়াইর) লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
তিনি বলেন, ‘অবিশ্বাস্য একটি ঘটনা ঘটেছে- ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে।’
আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটকে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেট নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে—এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে আলোচনার সময়ই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর এই দাবিটি সামনে আসে। নির্বাচনে হেরে গেলেও স্ত্রী ও ছেলেদের অন্তত পাঁচ বছরের জন্য নিরাপত্তা দিতে শিন বেটের সঙ্গে হওয়া একটি চুক্তির পক্ষে যুক্তি দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, তার পরিবার যে নিরাপত্তা পাচ্ছে তা কোনো বিলাসিতা নয়। এই নিরাপত্তা না থাকলে গুপ্তঘাতকেরা তার ছেলেকে হত্যা করতে সফল হতো বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহুর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে ইয়াইর ২০২৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তিনি শিন বেটের সুরক্ষায় রয়েছেন। ইয়াইরের নিরাপত্তার পেছনে করদাতাদের বিপুল অর্থের ব্যবহার নিয়ে এরই মধ্যে ইসরায়েলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ ফ্লোরিডার কিছু বাসিন্দা ইসরায়েলের শত্রুদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, ছোট ছেলে আভনার তার জীবনের বেশিরভাগ সময় ইসরায়েলেই কাটিয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা এই ইসরায়েলি নেতা নির্বাচনী প্রচারণার সময় সবাইকে কিছুটা সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকোটকে নিরাপত্তা না দেওয়ার বিতর্ক প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানান, তিনি শিন বেট প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং যেকোনো প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকেই যথাযথ নিরাপত্তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।
এমআই/এসএন