বিমানে মায়ের মৃত্যু, মরদেহ ওমানে রেখে চট্টগ্রামে ফিরলেন ছেলে
ছবি: সংগৃহীত
০২:৪৩ এএম | ২৭ আগস্ট, ২০২৬
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে অসুস্থ হয়ে ছানোয়ারা বেগম (৫৫) নামের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে ওমানের স্থানীয় আইন ও আইনি আনুষ্ঠানিকতার কারণে মায়ের মরদেহ সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরতে পারেননি তার ছেলে এরশাদ। তাকে একাই চট্টগ্রামে ফিরতে হয়েছে। বর্তমানে ছানোয়ারা বেগমের মরদেহ ওমানে রয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান ছানোয়ারা বেগম। সেখানে থাকা দুই ছেলে শাহেদ ও এরশাদের সঙ্গে কয়েক মাস থাকার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার রাতে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি উড্ডয়নের পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ছানোয়ারা। তার জরুরি চিকিৎসার জন্য ফ্লাইটটি ওমানের মাস্কাট বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিমানবন্দরের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর মরদেহটি উড়োজাহাজ থেকে নামানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও ওমানের আইন অনুযায়ী এ জন্য রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন হয়। অনুমতি পেতে সময় লাগায় দীর্ঘক্ষণ মরদেহটি উড়োজাহাজের ভেতরেই ছিল। এতে ফ্লাইটটির পরবর্তী যাত্রা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
পরে রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহটি উড়োজাহাজ থেকে নামানো হয়। প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ফলে মায়ের মরদেহ ওমানে রেখেই ছেলেকে দেশে ফিরতে হয়।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, বুধবার দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ছানোয়ারা বেগমের মরদেহ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে চট্টগ্রামে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, ছানোয়ারা বেগম আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। সৌদি আরবেও তার চিকিৎসা হয়েছিল।
একেএস/টিএ