© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৬ দফা দাবিতে লংমার্চে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যাপক প্রস্তুতি

শেয়ার করুন:
৬ দফা দাবিতে লংমার্চে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যাপক প্রস্তুতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:১২ পিএম | ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৬ দফা দাবি আদায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবার লংমার্চের পথে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম দিয়ে শুরু হওয়া লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হবে ঢাকা-সিলেট অভিমুখী লংমার্চের মধ্য দিয়ে।

লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে এরই মধ্যে ব্যাপক সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যভুক্ত দলগুলো।

নেতাদের দাবি, লংমার্চ কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতেই পথে নেমেছে ১১ দলীয় জোট।

লংমার্চের বিষয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় বৈঠক করেছি। এর প্রতিক্রিয়া কী? প্রস্তুতি কী? সাফল্যের সম্ভাবনা, ঝুঁকি—সামগ্রিক বিশ্লেষণ করে আমরা যেটা পেয়েছি, বিপুল পরিমাণ জনগণ এতে অংশগ্রহণ করবে। পাবলিক একেবারে বিস্ফোরণমুখী একটা পরিস্থিতিতে আছে। কারণ, তার তো সমস্যা হলো মূল জায়গায়।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অথবা জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে লংমার্চ করতে চাইনি। সরকার এই পর্যায়ে আমাদেরকে নিয়ে এসেছে। এবং জনগণের যে ৭০ শতাংশ রায়, সেটা যেমন ৭০-এ যে নির্বাচন হয়েছিল, সে সময় মানুষ একটা ম্যান্ডেট দিয়েছিল। মূলত জনগণের রায় যখন বাস্তবায়ন না হয়, তখন রাজনৈতিক দল, জনগণ সবাই মিলে সেটা বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লাগে।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অথবা জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে লংমার্চ করতে চাইনি। সরকার এই পর্যায়ে আমাদেরকে নিয়ে এসেছে। ৭০-এ যে নির্বাচন হয়েছিল, সে সময় মানুষ একটা ম্যান্ডেট দিয়েছিল। মূলত জনগণের রায় যখন বাস্তবায়ন না হয়, তখন রাজনৈতিক দল, জনগণ—সবাই মিলে সেটা বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লাগে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি যে, মানুষ রাস্তায় নামবে। তাদের প্রয়োজনে যে ৭০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে, তারাও যদি দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামে, তাহলে হরতাল-অবরোধ—এই ধরনের যে সংস্কৃতিটা ছিল, বিএনপি অথবা আওয়ামী লীগের এই দ্বিদলীয় জায়গায়, সেটা থেকে বের হয়ে আমরা নতুন সংস্কৃতিতে এই দাবিটা সরকারকে মানাতে বাধ্য করতে পারব।

তবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছি। এইটা একটা মাঝারি টাইপের প্রোগ্রাম। এটা নট সফট, নট হার্ড। এটা একটা ব্যালেন্সড, পাবলিক ওরিয়েন্টেড, জনসম্পৃক্ত জনমত গঠনের কর্মসূচি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা জনগণের দাবিগুলো উত্থাপন করার জন্য এই প্রোগ্রামটা নিয়েছি।

তবে আন্দোলনের ধরন নিয়ে নিজেদের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে বিরোধী দল। নেতারা জানান, অতীতের মতো জ্বালাও-পোড়াও কিংবা ভাঙচুরের রাজনীতিতে না গিয়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমেই দাবি আদায়ই তাদের লক্ষ্য।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন