টিকিট কালোবাজারি রুখতে কঠিন পদক্ষেপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের
ছবি: সংগৃহীত
১০:১১ পিএম | ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
টিকিট নিয়ে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। মৌসুম শুরুর আগে টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে বড় ধরনের তদন্তে নেমেছিল ক্লাবটি। সেই তদন্তের পর ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিল করেছে ইউনাইটেড। ক্লাবের দাবি, এই অভিযানের মাধ্যমে সংগঠিত টিকিট কালোবাজারির কয়েকটি চক্র ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে তদন্তের পদ্ধতি ও শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে সমর্থকদের ক্ষোভ কমেনি।
চলতি সপ্তাহে সমর্থকগোষ্ঠী ‘দ্য ১৯৫৮’ সমর্থকদের ‘ঐক্যবদ্ধ’ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ডার্বির আগে ‘সিজন টিকিট নিষেধাজ্ঞার’ প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তারা। তাদের ভাষায়, এবার ‘সীমা অতিক্রম করা হয়েছে’।
এর মধ্যেই এই সপ্তাহে তদন্তের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড। ক্লাব জানিয়েছে, ৬৮৫টি অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আরও ৪৬৪ জন সমর্থক পেয়েছেন কম শাস্তি অথবা চূড়ান্ত সতর্কবার্তা।
ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে টিকিট ব্যবস্থার ‘গুরুতর অপব্যবহার’ যেখানে পাওয়া গেছে, সেখানেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছিল সংগঠিত টিকিট নেটওয়ার্ক, যারা শত শত অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণ করত।
ইউনাইটেডের ভাষায়, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রকৃত সমর্থকদের জন্য টিকিট পাওয়ার ন্যায্য সুযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে এর কোনো জায়গা নেই।’
ক্লাব জানিয়েছে, এখন তাদের লক্ষ্য এসব টিকিট প্রকৃত সমর্থকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া। তদন্তের মাধ্যমে বাতিল হওয়া সব সিজন টিকিট সিজন টিকিটের অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা সমর্থকদের দেওয়া হবে।
তদন্তে আরও ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে ‘অস্বাভাবিক কার্যক্রম’ পাওয়া গিয়েছিল বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড।
যাদের সিজন টিকিট বাতিল হয়েছে, তাদের মধ্যে ১১৩ জন তথ্য দেওয়ার জন্য ক্লাবের অনুরোধে সাড়া দেননি। ৭৩ জন আপিলই করেননি। আর ৪৯৯ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে স্বাধীন আপিল বোর্ড।
এমআর/টিএ