© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সরকারি ছুটি ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘অফ ডে’ থাকবে না: ত্রাণমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
সরকারি ছুটি ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘অফ ডে’ থাকবে না: ত্রাণমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২৪ এএম | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও কাঙ্ক্ষিত উন্নতি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সরকারি ছুটি ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘অফ ডে’ থাকবে না। শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।’

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট জেলা শহরের চার্চ অব গড মিশন ক্যাম্পাসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় সদর উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ কর্মসূচির সচেতনতামূলক প্রচার উপকরণ বিতরণ করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কোনো সময় দুপুরের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা নেই। তাদের অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, শিক্ষক নেই। শিক্ষক না থাকলে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে থাকবে কীভাবে?’

আজ থেকে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যখন চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, তখন সরকারি ছুটি ছাড়া অতিরিক্ত ছুটি ভোগের বিধান ছিল না। ধীরে ধীরে আমরা একটি অনিয়মের মধ্যে চলে যাচ্ছি। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।’

দুলু বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান শেষে যেসব শিক্ষকের ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে না, প্রয়োজনে তাদের প্রশাসনিক ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারি ছুটির বাইরে কোনো ‘অফ ডে’ রাখা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘মঞ্চে উপস্থিত প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সরকারি ছুটির বাইরে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। তাদের মতো শিক্ষকদেরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার পরিবেশ, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধানদের হাতে সচেতনতামূলক লিফলেট ও ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ কর্মসূচির প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মন্ত্রীর লেখা ‘জাগো বাহে তিস্তা’ বইও তাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুখসানা পারভীন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম ফারুক সিদ্দিকসহ জেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকরা।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন