© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ, আরও ৭ আসামিকে কারাগারে

শেয়ার করুন:
গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ, আরও ৭ আসামিকে কারাগারে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১৭ পিএম | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার আরও সাত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ'র আদালত এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

আসামিরা হলেন- মীর্জা মোখলেছুর রহমান (৭২), মীর্জা আরজু (৪২), মো. শহিদুল ইসলাম (৪০), মো. মোশারফ হোসেন (৬০), মোক্তার হোসেন (৪৪), মো. আনোয়ার হোসেন আনা (৪৬), এবং বায়জিদ ইসলাম (৫৬)। আসামিরা সকলেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

এর আগে, আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক মো. রুহুল আমিন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে এবং প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যাচ্ছে। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আসামিদেরকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর আসামিদের রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ সেপ্টেম্বর এই মামলায় ২৪ জনকে দশ দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। এছাড়া, গত রোববার ৯ জন এবং সোমবার আর ৯ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রাজধানীর গুলশান থানাধীন এলাকায় গত ১১ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে ১২টায় নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করা সহ সরকার বিরোধী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন।  

এসময় তারা ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। অজ্ঞাতনামা আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হয়ে নিষিদ্ধ সত্ত্বাকে সমর্থন করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন সহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তথা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান প্রদান ও বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান৷

পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পুলিশের উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। এসময় পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮০/১০০ জনকে আসামি করা হয়।

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন