© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জ্যোতির অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে হতাশ বিসিবি

শেয়ার করুন:
জ্যোতির অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে হতাশ বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২১ এএম | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সদ্য সমাপ্ত নারী এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের হারের পর সমালোচনার মুখে পড়েন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। এরপর গতকাল বিসিবিকে ইমেইল করে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান জ্যোতি। তার এমন সিদ্ধান্তে হতাশ বিসিবির নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু। 

জ্যোতির নেতৃত্ব ছাড়া প্রসঙ্গে বিসিবির এই পরিচালক বলেন, 'আমি কালকে সন্ধ্যার পরে জানতে পেরেছি, একজন সাংবাদিকের মাধ্যমে। কারণ আমার সাথেও কোনো আলোচনা করেনি। তাছাড়া ইতিপূর্বে যে সমস্ত কথাগুলো উঠছিল এবং সমালোচনা হচ্ছিল, সেগুলোর ব্যাপারে কিন্তু আমি জ্যোতির সাথে কথা বলেছি। আমি তাকে বলেছি এগুলোতে কান দেওয়ার কিছু নেই। তোমরা একটা বড় টুর্নামেন্টে আছো, এশিয়ান গেমসের মতো টুর্নামেন্ট। ওইখানে একটি পদকের জন্য খেলবে এবং সেদিকেই মনোযোগ দাও। এগুলোতে কান দিও না।'

'তারপরেও হঠাৎ করে কেন সিদ্ধান্ত নিলো আমার ঠিক মাথায় আসছে না। আর এরকম একটি বড় টুর্নামেন্টের আগে এই সিদ্ধান্তটাতে আমি আসলে হতাশ হয়েছি এবং বিব্রত বোধ করছি। কারণ যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকত বা কোনো সমস্যা থাকত, সেটা এই টুর্নামেন্টে খেলে আসার পরেও কিন্তু আমাকে জানাতে পারত যে এটার কারণে আমি ছেড়ে দিচ্ছি। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। এটা করলে অনেক ভালো হতো।'-যোগ করেন তিনি।



জ্যোতির এমন সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন বাবু, 'আমরা বসব বোর্ডে। তামিম, আমরা বসে সিদ্ধান্ত নিব। এশিয়ান গেমস থেকে আসার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিব কীভাবে কী করা যায়। সে যেহেতু স্বস্তিবোধ করছে না, যেটা বলেছে আমি ব্যাটিংয়ে আরও মনোযোগী হতে চাই, কিপিংয়ে মনোযোগী হতে চাই। সুতরাং পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে আমি থাকতে চাই, টি-টোয়েন্টিটা আমি ছেড়ে দিতে চাচ্ছি, এরকম একটা মেইল পাঠিয়েছে। সে আসার পরই আমরা এটা চূড়ান্ত করব।'

নতুন প্রধান কোচ হতে যাওয়া হেম্পকে নিয়ে নারী বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, 'এটা হতে পারে। এটা খুবই ভালো পছন্দ। কারণ সে ইতোপূর্বে আমাদের দেশে কাজ করে গেছে। আমরা ওই চিন্তাভাবনা থেকেই মেয়েদের সাথে কথা বলেছি। সবাই কিন্তু তার ব্যাপারে ইতিবাচক বলেছে। সেজন্যই আমরা কথাবার্তা বলেছি।'

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন