© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ম্যানসিটির কঠিন শাস্তি হলেও ক্ষতি পূরণ হবে না : পচেত্তিনো

শেয়ার করুন:
ম্যানসিটির কঠিন শাস্তি হলেও ক্ষতি পূরণ হবে না : পচেত্তিনো

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:৪২ এএম | ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে স্বাধীন কমিশনের রায় নিয়ে ফুটবলজুড়ে আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের কোচ ও টটেনহামের সাবেক কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। তার মতে, সিটি শেষ পর্যন্ত শাস্তি পেলেও অতীতে যা ঘটেছে, তা পুরোপুরি ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে ক্লাবকে দোষী সাব্যস্ত করার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি শুরু থেকেই সব ধরনের অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চূড়ান্ত শাস্তিও এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে পচেত্তিনো বলেছেন, শাস্তি যা-ই হোক, অতীতের ক্ষতি পুরোপুরি পুষিয়ে নেওয়া কঠিন। তার মতে, দীর্ঘ সময় ধরে অনেক ক্লাব নিয়ম মেনে চললেও কেউ কেউ তা করেনি—এতে প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

পচেত্তিনোর ভাষায়, 'যে শাস্তিই দেওয়া হোক, সময়কে পেছনে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এরই মধ্যে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।' তিনি আরও বলেন, যদি ১১৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগের রায় বহাল থাকে, তাহলে ফুটবল এমন একটি সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে, যাকে তিনি ‘প্রতারণার সময়কাল’ হিসেবে দেখছেন।

সিটির বিরুদ্ধে সম্ভাব্য শাস্তি হিসেবে আর্থিক জরিমানা, পয়েন্ট কেটে নেওয়া কিংবা আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে কোন শাস্তি দিলে উপযুক্ত হবে, সেটিই কঠিন প্রশ্ন বলে মনে করেন পচেত্তিনো।



নিজের টটেনহাম অধ্যায়ের কথাও টেনে এনেছেন পচেত্তিনো। নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তার দল প্রায় ১৮ মাস কোনো খেলোয়াড় দলে নিতে পারেনি। অথচ একই সময়ে শিরোপার জন্য লড়াই করতে হয়েছে তাদের।

পচেত্তিনোর প্রশ্ন, 'নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা কোথায় ছিল?' তার অভিযোগ, কিছু ক্লাবের ক্ষেত্রে আর্থিক নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হলেও অন্যদের ক্ষেত্রে একই ধরনের কঠোরতা দেখা যায়নি। এটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সময়কাল ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত। এর পাশাপাশি ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন