© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জুলাইকে যারা শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তাদের ওপর গজব পড়ুক: উমামা ফাতেমা

শেয়ার করুন:
জুলাইকে যারা শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তাদের ওপর গজব পড়ুক: উমামা ফাতেমা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩৬ পিএম | ০১ অক্টোবর, ২০২৬
জুলাই আন্দোলনকে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের হাতে বন্দি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা। একইসঙ্গে যারা এর পেছনে দায়ী, তাদের জন্য আল্লাহর গজবও চেয়েছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে দীর্ঘ এক পোস্ট দেন উমামা ফাতেমা।

সেখানে তিনি লিখেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা মানুষ উড়ে এসে নেতা হয়েছে। সালাউদ্দীন আম্মার তাদের অন্যতম।

উমামা লিখেন, জুলাই আন্দোলনের সময় সকল ছাত্র সংগঠনকে মাইনাস করে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের (গুপ্তশিবির) লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটির অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তার কারণে ৫ আগস্টের পরে যদু-মধু-কদু এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছে।

এরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই নেত্রী লিখেন, যেই শু**রের বাচ্চারা জুলাইয়ের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ভাই-ব্রাদার কোরাম আর শিবিরের হাতে বন্দি করেছে, তোদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। মোনাফেকের দল।

উমামা লিখেন, বিএনপি খারাপ, ওর খারাপ চোখে দেখা যায়। দেশকে নিয়ে আন্দোলনের পর যারা ছেলেখেলা করেছে, তারা সব দখল করতে চেয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্টগুলোকে আমি মোটেও নিরীহভাবে দেখিনা।

তিনি আরও লিখেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ফেসবুক ম্যানিপুলেশন যথেষ্ট, তাই পর্দার আড়ালের ইন্টারেস্ট গ্রুপগুলা সময়ে সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জুলাই-এর নামে ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট জেনারেট করে। তরুণদের মধ্যে হিরো হিসেবে ম্যানুফ্যাচারড ফিগার আছে অনেক, যারা তরুণদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করতে কাজ করছে।

এসময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে মিয়ানমারের প্রসঙ্গও টানেন উমামা ফাতেমা। তিনি লিখেন, আমি মায়ানমারের দিকে তাকালে ভয় পাই। রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্য ফেসবুক অত্যন্ত এফিশিয়েন্ট টুল ছিল।

উমামা লিখেন, এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের মধ্যবিত্তের- I hate politics থেকে জুলাইয়ে হঠাৎ চোখ ফুটার কারণে আর সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেট করে আজকে একে তো কালকে ওকে হিরো বানানোর কারণে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই নেত্রী সবশেষে লিখেন, বাংলাদেশের জার্নি এতদিন ছিল ৫০ বছরের। এখন তো জামায়াতের কারণে হিস্ট্রি ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকে শুরু করতে হয়। একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে দেশের রাজনীতি। জামায়াত আর আওয়ামী লীগে কোনো পার্থক্য নেই। জামায়াত তাদের গণহত্যার কালিমা ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি আছে।


এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন