© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
২০ অক্টোবর জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৮ পিএম | ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২০ অক্টোবর তার এই সফর চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির পক্ষ থেকেও সফর সফল করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরটি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত হয়েছে। এ সফর ঘিরে আমাদের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর যাতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে চট্টগ্রামে আসছেন। এটি নিঃসন্দেহে চট্টগ্রামের জন্য গর্বের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রেইনবো নেশন গড়ে তুলতে চান। তারই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে চট্টগ্রামসহ দেশের সব সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষ খুবই খুশি। চট্টগ্রামের হিন্দুরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ওনার আগমনে চট্টগ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।  

নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক যাত্রীমোহন সেনগুপ্ত (জেএম সেন) হল প্রাঙ্গণ চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতি বছর এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে পূজামণ্ডপটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়।

১৯২০ সালে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত তার পিতা যাত্রীমোহন সেনগুপ্তের স্মরণে জেএম সেন হল প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন