© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, চলছে ‘নো কিংস’ আন্দোলন

শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, চলছে ‘নো কিংস’ আন্দোলন

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪৬ এএম | ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আমেরিকাজুড়ে শুরু হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী হিসেবে পরিচিত 'নো কিংস' সমাবেশ। এবারের বিক্ষোভের মূল লক্ষ্য হলো ভোটারদের আগাম ভোট দানে উৎসাহিত করা। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে রিপাবলিকানরা যখন কঠিন লড়াইয়ের মুখে, ঠিক সে সময়ে দেশজুড়ে এই সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে। ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর এটি এ ধরনের চতুর্থ বিক্ষোভ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির নাম দেয়া হয়েছে 'নো কিংস: ভোট আর্লি'। এবারের আয়োজনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেবল বিক্ষোভ করার বদলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণী নির্বাচনে মার্কিনিদের আগাম ভোট দিতে উজ্জীবিত করার ওপর বেশি জোর দেয়া হয়েছে।

আয়োজকরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, 'এটি নির্দলীয় ভোটার অংশগ্রহণের একটি দিন, আগাম ভোট দেয়ার পরিকল্পনা করতে আমরা আমাদের সম্প্রদায়কে একত্রিত করছি এবং প্রতিটি যোগ্য ভোটার যেন ভোট দেয়ার বিকল্পগুলো বুঝতে পারে ও নিজের মতামত তুলে ধরার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করছি।'

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এমন ৩ হাজারেরও বেশি কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশটির বেশিরভাগ এলাকায় ভোটারদের কয়েক সপ্তাহ আগেই আগাম ভোট দেয়ার সুযোগ থাকে।

তবে ট্রাম্প বরাবরই ডাকযোগে ভোট দেয়ার বিরোধিতা করে আসছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি এই চর্চা সীমিত করারও চেষ্টা করেছেন। যদিও তিনি নিজেই ডাকযোগে ভোট দেন এবং যুক্তি দেখান যে তার কাজের ধরন তাকে এই নিয়মের ব্যতিক্রম করেছে। ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হারের পর কোনো প্রমাণ ছাড়াই ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।

বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, ডাকযোগে ভোট সীমিত করা হলে তা রিপাবলিকানদের সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে, কারণ ডেমোক্র্যাট ভোটাররাই বেশি হারে এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে থাকেন। বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন, রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করতে পারে। জনমত জরিপগুলো বলছে, প্রতিনিধি পরিষদের বা হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস-এর নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সিনেটের লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হতে পারে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে


এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন