© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যাকাণ্ড, ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপিপুত্র

শেয়ার করুন:
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যাকাণ্ড, ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপিপুত্র

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:৪৫ পিএম | ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
গুরুদাসপুরে পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় নাটোর-৪ আসনের এমপি আব্দুল আজিজের ছেলে নূরুজ্জামান মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বড়াইগ্রাম আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তৌহিদুল ইসলাম সুমন তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামি মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার রিমান্ড শেষ হলে আসামিকে আদালতে হাজির করে আরও ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। রিমান্ড আবেদন গ্রহণ করলেও বিচারক শুনানি না করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রিমান্ড আবেদন শুনানির জন্য কোনো তারিখ ধার্য করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এমপির ছেলে রিমান্ডে থাকাকালীন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে আলামিন হোসেন (২৬) ও আনিসুর রহমানকে (২৫) আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিবিড়ভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, ১৪ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে গুরুদাসপুর পৌরশহরের চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় হেলমেট পরা একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম (৩২)। এ সময় শাকিলকে কুপিয়ে জখম করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান হামলাকারীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় ১৯ অক্টোবর থানায় মামলা করেন শাকিলের বাবা রবিউল ইসলাম।

শাকিলের পরিবারিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালে ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি মারা যান। হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ওই দিন রাত ১০টার দিকে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে নূরুজ্জামান মিন্টুকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৩ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন