© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সৌদির কারখানার আগুনে নিহত ২ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল নাটোরে

শেয়ার করুন:
সৌদির কারখানার আগুনে নিহত ২ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল নাটোরে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৪৪ পিএম | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের ২ প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর নিজ গ্রামে নেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ৩টার দিকে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা এলাকায় নিহতদের বাড়িতে মরদেহ ২টি বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ৮টা ৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে মরদেহ ২টি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য রইচ উদ্দিন। 

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই দিনই খাজুরা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হবে।

নিহত ২ জন হলেন- নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের সাব্বির হোসেন। নিহত বাকি ৫ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়। গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মরদেহ দেশে পাঠানোর তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। এর মধ্যে গত ২৭ আগস্ট প্রথম দফায় ৯ জনের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। বাকি ৭ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে ৭ জনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা জানানো হয়। 

নিহত সাব্বিরের মা সাবিনা দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম, আমার সন্তানকে যেন আমার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আমি সরকারের কাছে আর কিছু চাই না।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, রিয়াদ থেকে যুগ্ম সচিব তাদের চিঠি দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো চাহিদা থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন।এর মধ্যে প্রথম দফায় গত ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ দেশে আসে। বাকি সাত জনের মধ্যে নাটোরের দুই জনসহ সবার পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন