© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জাতীয় পাশের হার ৫২% হলেও সামসুল হক খানে ৯৯% সাফল্য

শেয়ার করুন:
জাতীয় পাশের হার ৫২% হলেও সামসুল হক খানে ৯৯% সাফল্য

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৪০ পিএম | ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
দেশের অন্যতম অগ্রগামী ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামসুল হক খানস্কুল অ্যান্ড কলেজ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখলো।  এ বছর প্রতিষ্ঠানটির গড় পাসের হার ৯৯.০৭ শতাংশ এবং মোট ২২৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

শিক্ষার্থী,শিক্ষক, অভিভাবক ও গভর্নিং  বডির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এইঅভাবনীয় সম্ভব হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষার কাঙ্ক্ষিত সাফল্যেউত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, তাদের অভিভাবক এবং নবীন শিক্ষার্থীরাও উচ্ছ্বসিত। কলেজ ক্যাম্পাসে আজ যেন প্রাণের বন্যা।

২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অবতীর্ণ ১০৭৭ এবং উত্তীর্ণ হয় ১০৬৭ জন উত্তীর্ণদের প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুররহমান মোল্লা ও প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. ফেরদৌস হোসেনপ্রাণঢালা অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন, ডেমরার এই সাড়াজাগানোশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির জন্য আমরা গৌরবান্বিত বোধকরি। ফল প্রকাশের পরশিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে তাৎক্ষণিক বৈঠকে প্রিন্সিপাল মো. মাহবুবুররহমান মোল্লা  উত্তীর্ণদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের শ্রম ও নিষ্ঠা, শিক্ষকদের নিরলস প্রচেষ্টা ও অভিভাবকদেরআন্তরিক সহযোগিতায় আজ আমাদের অর্জন সার্থক হয়ে উঠেছে। তবেপ্রত্যাশা আরও এগিয়ে ছিলো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস  প্রতিষ্ঠানের আগামী আরওবর্ণিল ও আরও ঈর্ষণীয় হয়ে উঠবে।  সবার  সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানধন্য ও কৃতজ্ঞ।’
 
এবছরের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৫৯ , ব্যবসায় শিক্ষাবিভাগ থেকে ২৭ ও মানবিক বিভাগ থেকে ৪২জন জিপিএ-৫ অর্জিত  হয়েছে । বিজ্ঞানবিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী তানজিদা আক্তার বলেন, আমার রেজাল্ট আমারআশা পূরণ করেছে, আল্লাহর কাছে আমার হাজার শুকরিয়া।  প্রিন্সিপাল স্যারের অনিন্দ্যসুন্দর  পরিকল্পনা ও দূরদর্শিতা বারবার আমাদের স্বপ্ন সফলকরে। মা-বাবা ও স্যারদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। কলেজ ইনচার্জও গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, একটা ভালো রেজাল্টের জন্য  আমরা সবসময় সচেতন থেকেক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি। উত্তীর্ণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আমারআন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা রইলো।’ ব্যবসায় শাখার শিক্ষা বিভাগে শিক্ষার্থী শওরিন জান্নাত সুহীর মা আফরোজা সুলতানা বলেন, প্রিন্সিপাল স্যারের দূরদর্শিতা ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমারমেয়ে ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছে। আমি সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ডকলেজের কাছে আমার ঋণ স্বীকার করছি।
 
সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাফল্য ধারাবাহিক।  ২০২৫ সালেকলেজ শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের শতকরা হার ছিল ৯৯.৯১এবং জিপিএ ৫ ছিল ৪২৩ টি। এবছর এসএসসির অর্জনও ছিলোচোখধাঁধানো। ২০২৬ সালে এসএসসির শতকরা পাশের হার ছিল ৯৯.৫৯ ওজিপিএ৫  ৮০৩ টি।

উচ্চশিক্ষায়ও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চান্সপ্রাপ্তি অত্যন্ত সন্তোষজনক। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসিউত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সরকারি মেডিকেল কলেজে ৩০ জন,প্রকৌশল এবংপাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ জন ভর্তি হতে পেরেছে। সাবেক শিক্ষার্থীদেরসন্তোষজনক সংখ্যক সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত আছেন। কেউ কেউ ইউরোপ আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে পিএইচডি গবেষণা করছে।

অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মনে করেন শ্রেষ্ঠত্বের দৌড়ে সামসুল হক খান স্কুলঅ্যান্ড কলেজ এগিয়ে যাবে বহুদূর।

কেএন/টিএ

মন্তব্য করুন