© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীখালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া উপায় নেই

শেয়ার করুন:
খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া উপায় নেই

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪৫ এএম | ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
গ্যাসের দাম বাড়িয়ে সরকার এখন মানুষের রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, সরকার জনগণের রান্নাঘর পর্যন্ত ভোগান্তি পৌঁছে দিয়েছে। এ অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করলে খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া উপায় নেই।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ২৯ দিনের ব্যবধানে দুই দফা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জনগণকে খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থাৎ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার কাজ শুরু করেছে তারা। সরকার যেহেতু আমাদের রান্নাঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, আমাদের এখন খালি সিলিন্ডার নিয়ে রাজপথে নামা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাই পাড়া-মহল্লার মা-বোনরা খালি গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করুন।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারের কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। তারা একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছিল। গণশুনানির পর মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল ওই কমিটি। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত মানা হয়নি। উল্টো তিন-চারটি কোম্পানির মালিকের কথামতো জনগণকে তোয়াক্কা না করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। অতএব, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি থেকে সরে আসতে হবে।

এনসিপি নেতা বলেন, গ্যাসের সিলিন্ডার এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে আমরা কখনও এমনটি আশা করিনি। আমাদের পার্শ্ববর্তী প্রায় সব দেশেই গ্যাসের দাম কম। অথচ বাংলাদেশে ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা। তাই সরকার যদি মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার না করে, তাহলে খালি সিলিন্ডারসহ হাঁড়ি-পাতিল, কলস নিয়ে রাস্তায় নেমে অবরোধ করতে হবে।

পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন বলেন, এ আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ইন্ধন রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। এটি গোয়েন্দা ব্যর্থতা। ফলে এখানে সরকারও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সরকার যখন ব্যর্থ হবে, তখন আওয়ামী লীগ সুযোগ নেওয়ারই চেষ্টা করবে। দলটি সামনে আরও বড় ছোবল মারতে চাইবে। এজন্য শ্রমিক অঞ্চলকে নিরাপদ করার লক্ষ্যে গোয়েন্দা সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

এফআর/

মন্তব্য করুন