© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিমানমন্ত্রীযাত্রীরা বলছেন, এত সুন্দর শৃঙ্খলভাবে আগে কোনোদিনও এয়ারপোর্ট দেখিনি

শেয়ার করুন:
যাত্রীরা বলছেন, এত সুন্দর শৃঙ্খলভাবে আগে কোনোদিনও এয়ারপোর্ট দেখিনি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৮ পিএম | ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান ও শৃঙ্খলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তারা বলছেন, এত সুন্দর ও শৃঙ্খলভাবে আগে কখনো বিমানবন্দর দেখেননি। 

বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পর এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। 

পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরের ভিআইপি ফটকে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী বলেন, একসঙ্গে চারটি ফ্লাইট অবতরণ করায় বিমানবন্দরে যাত্রীদের বেশ চাপ ছিল। ছয়টি লাগেজ বেল্টই তখন ব্যস্ত ছিল। এরপরও যাত্রীরা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। 

মন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যেই লাগেজ পাচ্ছেন। তারা এতে খুব খুশি। আমরা দোয়া করি, এ অবস্থা যেন অব্যাহত থাকে। দেড় মাস আগে আসা যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারাও জানিয়েছেন, এখন আর আগের মতো কোনো সমস্যা হচ্ছে না। 

তিনি আরও বলেন, আগে বিমানবন্দরের কিছু দুর্নাম ছিল, অভিযোগ ছিল। সেগুলো আমরা স্বীকার করি। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। আগে লাগেজ ভাঙা বা কেটে যাওয়ার মতো অভিযোগ ছিল। এখন যাত্রীরা বলছেন, এ ধরনের সমস্যা আর হচ্ছে না। 

তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন বিমানবন্দর করার প্রয়োজন পড়ে না বলে তিনি মনে করেন। তবে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে বিমানবন্দর করা বা চালানো যাবে না এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

তিনি বলেন, বিমানবন্দর করা যাবে না আর বিমানবন্দর চালানো যাবে না দুটি ভিন্ন বিষয়। একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করতে ১০ বছরও লেগে যায়। 

এ প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, দেশটির পঞ্চম টার্মিনাল নির্মাণে ১২ বছর ধরে কাজ চলছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনার সময় তিনি এ তথ্য জানতে পেরেছেন। 

বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১ ও ২ নির্দিষ্ট কিছু ফ্লাইটের জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাজেট এয়ারলাইনস, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ও হজযাত্রীদের ফ্লাইটের জন্য টার্মিনাল দুটি ডেডিকেটেড করার পরিকল্পনা ছিল। এতে হজ ফ্লাইট ও চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা আরও নির্বিঘ্ন করা সম্ভব হবে। 

এমআর/ 

মন্তব্য করুন