এবার ইউএসএআইডি’র ৬০ কর্মকর্তাকে সবেতন ছুটি দিলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত
০৬:৩১ পিএম | ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ইউ/এস/এ/আইডির প্রায় ৬০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সবেতন ছুটিতে পাঠিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বজুড়ে দাতব্য সংস্থাটির সব প্রকল্প স্থগিত ঘোষণার পর কর্মকর্তাদেরও ছুটি দেয়ার পদক্ষেপ নিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
বিশ্বজুড়ে কি পরিমাণ আমেরিকান সহায়তা বরাদ্দ হবে, সেটি নির্ধারিত হবে ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি মেনে। অর্থাৎ সবার আগে যুক্তরাষ্ট্র তারপরে বিশ্ব- ট্রাম্পের এমন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউএসএআইডির বাজেট করতে সংস্থার কর্মীদের আহ্বান জানান ট্রাম্প।
কোনো কর্মী প্রশাসনের আদেশ উপেক্ষা করলে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি দেন তিনি। স্থানীয় সময় ২৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইউএসএআইডির কর্মীদের কাছে অভ্যন্তরীণভাবে একটি চিঠি পাঠায় ট্রাম্প প্রশাসন। এতে বলা হয়, নতুন প্রশাসন ইউএসএআইডিতে এমন বেশ কিছু ইঙ্গিত পেয়েছে যেখানে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের চাওয়াকে এড়িয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক জ্যাসন গ্রের সই করা চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের টাকায় চলা ইউএসএআইডিকে ভুল প্রকল্পে অনুদান দেয়া থেকে বিরত রাখতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে কিছু সংখ্যক ইউএসএআইডি কর্মীকে পূর্ণাঙ্গ বেতন ও সুবিধা সহকারে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে।
ইউএসএআইডির বিতর্কিত তৎপরতা নিয়ে পর্যালোচনা ও তদন্ত চলাকালে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানান গ্রে। অবশ্য ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের আওতায় ঠিক কতজন কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে প্রশাসন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বরাতে জানা যায়, এই কর্মকর্তাদের সংখ্যা ৫৭ থেকে ৬০ জনের মতো হতে পারে।
বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, যাদের ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে, তার মধ্যে ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রায় সব ইউএসএআইডি ব্যুরোর নেতৃত্বস্থানীয় কর্মীরা আছেন। তারা মূলত জ্বালানি সুরক্ষা, পানিসংক্রান্ত সুরক্ষা, বিদেশে শিশু শিক্ষা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো খাতগুলোতে কাজ করেন।
টিএ/