কানাডা-মেক্সিকোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত
১২:২৪ পিএম | ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
অতিরিক্ত শুল্ক নিয়ে শিগগিরই কানাডা ও মেক্সিকোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। দেশগুলোতে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের ঘটনা রূপ নিয়েছে বাণিজ্য যুদ্ধে। এতে ভুক্তভোগী হচ্ছেন দেশগুলোর সাধারণ জনগণ।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক মিত্র কানাডা, মেক্সিকো ওবং প্রতিযোগী চীনের পণ্যে শুল্ক আরোপ করে নির্বাহী আদেশে সই করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমন পরিস্থতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দুই বাণিজ্য সহযোগী কানাডা ও মেক্সিকোও ‘ডলারের বদলে ডলার’ ঘোষণা দিয়ে শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে।
সে তিনটি পৃথক নির্বাহী আদেশ ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর করার কথা রয়েছে। এতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে- এমন অভিযোগ করেন মিত্রদেশগুলোর জনগণ। সে প্রেক্ষিতে শুল্ক ও আনুষাঙ্গিক বিষয়ে কানাডা ও মেক্সিকোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান ডনাল্ড ট্রাম্প।
অবশ্য গত নভেম্বরে জয় পেয়েই ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই কানাডা, মেক্সিকো ও চীনের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করবেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকাতে তিনি এ পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দেন।
সে অনুযায়ী, কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের আদেশ দেন ট্রাম্প। এ ছাড়া চীনের পণ্যে বর্তমান হারের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও মেক্সিকো। চীন বলেছে, তারাও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। কানাডার বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ২ ফেব্রুয়ারি এক ঘোষণায় বলেন, ১৫৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কানাডীয় সরকার। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর এই শুল্ক কার্যকর হবে। আর বাকি ১২৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ কার্যকর হবে পরবর্তী ২১ দিনের মধ্যে।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির পর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেনবাউমও ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই শুল্ক আরোপের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে তার দেশ। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও একই কথা জানিয়েছে। তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরূপ কাজই করবে চীন সরকার।
টিএ/