© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নতুন নেতা কেন মার্টিন

শেয়ার করুন:
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নতুন নেতা কেন মার্টিন

ছবি: সংগৃহীত

তাহমিনা তাশরিফ
০২:০৩ পিএম | ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ডনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকান শিবিরের কাছে ভোটের মাঠে ভরাডুবির পর নতুন করে দল গঠনে ব্যস্ত বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। এরইমধ্যে ডনাল্ড ট্রাম্পকে মোকাবিলা করতে নতুন নেতা বেছে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটিক শিবির।

প্রগতিশীল কর্মী ৫১ বছর বয়সী কেন মার্টিনকে নতুন ডেমোক্র্যাট নেতা নির্বাচিত করেছেন দলের কর্মীরা। তাকে ডেমোক্র‍্যাটিক ন্যাশনাল কমিটি- ডিএনসি’র চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে।

এ নেতার কাজ হবে গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হার পর ভেঙে পড়া দলকে পুনর্গঠন করা। এছাড়া বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির নেতা ডনাল্ড ট্রাম্পকে কীভাবে সবচেয়ে ভালোভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা বের করা।

এক বিবৃতিতে কেন মার্টিন বলেন, ‘ডেমোক্র‍্যাটিক পার্টি হলো কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষের দল। এ দল মধ্যবিত্তের দল। নির্বাচনে হারলেও এটি হাত গুটিয়ে নেয়ার সময় নয়। বরং এটি সমান তালে প্রতিযোগিতা করার সময়। আসন্ন প্রতিটি নির্বাচনে এবং সরকারের প্রতিটি স্তরে জয়ী হওয়ার সময়। বর্তমান সরকারের সব অন্যায়, অন্যায্য দাবি রুখে দেয়ার সময়।’

ডিএনসি মূলত ডেমোক্রেটিক পার্টির মূল পরিচালনা পর্ষদ। এখান থেকেই প্রতিবছর গোটা যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সহায়তা এবং সাংগাঠনিক কাঠামো নির্মাণের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে। এর মাধ্যমেই চার বছর পরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে দলের তহবিল চূড়ান্ত হয়।

গত নভেম্বরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যান ডেমোক্র‍্যাটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস। এ নির্বাচনে হারের পর্যালোচনা করতে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসেন ডিএনসির নেতারা। তারা এ বৈঠকে দলের মিনেসোটা শাখার সাবেক চেয়ারম্যান কেন মার্টিনকে প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন। নিজ দলের বাইরে খুব বেশি পরিচিত মুখ নন কেন মার্টিন। তিনি ডেমোক্র‍্যাটিক পার্টির মিনেসোটা শাখার সাবেক চেয়ারম্যান। গেল নির্বাচনেও মিনেসোটার বাইরে তার উপস্থিতি নজরে আসেনি।

ফলে ডেমোক্র্যাটিক শিবিরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গেল নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কামালা হ্যারিসের বদলে কেন মার্টিনকে দলের নেতা নির্বাচন করা অনেকের কাছেই বোধগম্য হচ্ছে না। নর্থ ক্যারোলাইনার ডেমোক্র‍্যাটিক পার্টির ডেপুটি ডিজিটাল পরিচালক ক্যাথরিন জিন্স বলেন, ‘এটি দাবা খেলা নয় যে সবাই তাদের গুটিগুলোকে সম্মানজনক এবং সময়োপযোগীভাবে চাল দেবে। এটা রাজনৈতিক ক্ষেত্রের গেরিলাযুদ্ধ।’

কেন মার্টিনের মতে, ট্রাম্পকে বাজিমাত করতে হলে ডেমোক্র্যাটদের এখন কর্মজীবী ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে হবে। ইলেকটোরাল ভোটের লড়াই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যেই ছড়িয়ে দিতে হবে বলে মনে করেন এই নতুন নেতা। সেই সঙ্গে রক্ষণশীল রিপাবলিক ঘাঁটিগুলোতেও এ লড়াই চালানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার ধনকুবের বন্ধুদের তাড়ার ওপর রাখতে হবে। লুটপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত শ্রমজীবী পরিবারগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে জানিয়ে কেন মার্টিন আশা করেন, পরবর্তী ভোটের মাঠে ব্যালট বাক্সে রিপাবলিকানদের পরাজিত করতে সমর্থ হবে নতুন ডেমোক্র্যাট শিবির।

টিএ/

মন্তব্য করুন