© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতি কি বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশকে?

শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতি কি বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশকে?

ছবি: সংগৃহীত

শিফাত মাহামুদ
০১:৩৫ পিএম | ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে নিজের দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতায় এসেই একের পর এক নতুন সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়ে জন্ম দিচ্ছেন আলোচনা – সমালোচনার। তারই ধারাবাহিকতায় আলোচনায় এসেছে ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতি। যেকোনো মূল্যে ‘অনুপ্রবেশকারী’ মুক্ত করতে অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

উন্নত জীবনের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অভিবাসন প্রত্যাশীদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। তবে, সেই স্বপ্নে এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই অভিবাসন নীতি। এতদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার স্বপ্ন নিয়ে যারা কঠিন পথ পার করেছিলেন তাদের অনেককেই এবার খোয়াতে হচ্ছে মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়স্থল।

এবারের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্প বারবারই তুলে এনেছেন অভিবাসন সংকটের নানা দিকের কথা। যুক্তরাষ্ট্রের নানা সংকটের পিছনে এই অভিবাসন নীতিকেই দায়ী করেছেন তিনি। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প পা রাখতেই তাই অবৈধ অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে ধরপাকড় শুরু করেছে তিনি। ইতিমধ্যে হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তারও করেছে তার প্রশাসন।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের প্রকৃত সংখ্যা কত তা নিয়ে রয়েছে বেশ কিছু বিতর্ক। কারও মতে ১ কোটি, আবার কারও মতে দেড় কোটিরও বেশি অভিবাসী রয়েছে দেশটিতে। তবে, এবারের নির্বাচনে এই সংকটকে সামনে এনে তা যেকোনো মুল্যে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন ট্রাম্প।

তারই ধারাবাহিকতায় এ ইস্যুতে একাধিকবার হুংকার দিয়েছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ‘আমেরিকা শুধু আমেরিকানদের’, অন্য অবৈধ অভিবাসীদের এখানে স্থান নেই। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে সুন্দরভাবে তিনি বোঝাতে সমর্থ হয়েছেন যে, একমাত্র তিনিই অভিবাসন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন অন্য কেউ করতে পারবেন না। যা এবারের ভোট বাক্সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা প্রমাণ করে দিয়েছেন তাকে নির্বাচিত করে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এমন অবস্থান বাংলাদেশী অভিবাসিদের উপর ঠিক কি প্রভাব ফেলবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে, ট্রাম্প 2.0-এর অভিবাসন নীতি যতটা সামনে আসছে, দেশটিতে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসিদের শঙ্কা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে মজবুত সম্পর্কের ওপর জোর দিতে অভিবাসী বিষয়ে আমদের আরও কৌশলী হতে হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

টিএ/

মন্তব্য করুন