© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত যুক্তরাজ্যে বাংলা লেখায় আপত্তি মাস্কের

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশি অধ্যুষিত যুক্তরাজ্যে বাংলা লেখায় আপত্তি মাস্কের

ছবি: সংগৃহীত

তাহমিনা তাশরিফ
০৪:৫৭ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
হোয়াইট চ্যাপেলের বাংলা লেখায় আপত্তি জানালেন ইলন মাস্ক। সে লেখা সরিয়ে ফেলার দাবিতে জানালেন সমর্থন। টাওয়ার হ্যামলেটসের পাতাল রেলস্টেশনের বাংলা সাইনবোর্ড নিয়ে বিতর্কে- গা ভাসালেন এই বিশ্ব ধনকুবের।

যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি-অধ্যুষিত এলাকা টাওয়ার হ্যামলেটস। লন্ডনের বুকে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন প্রবাসী বাঙালিরা। দোকান-পাট, প্রতিষ্ঠান, ভাষা, সংস্কৃতির ষোল আনাতেই বাঙ্গালিয়ানা।

বাদ যায়নি হোয়াইটচ্যাপেলের পাতাল রেলও। শহরের বাঙ্গালিদের সম্মানে সে রেলস্টেশনের সাইনবোর্ডে ইংরেজির পাশাপাশি রয়েছে বাংলা লেখা। সম্প্রতি সে সাইনবোর্ড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বৃটিশ এমপি রুপার্ট লোয়ি।

সামাজিকমাধ্যম এক্সে পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি-অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার হোয়াইটচ্যাপেল পাতাল রেলস্টেশনের একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় স্টেশনটির নাম লেখা রয়েছে। ছবির ক্যাপশনে লোয়ি লেখেন, এটা লন্ডন—এখানে স্টেশনের নাম অবশ্যই ইংরেজিতে এবং শুধু ইংরেজিতে লেখা উচিত।

তার পোস্টে কমেন্ট করেন ট্রাম্প প্রশাসনের ঘনিষ্ঠমিত্র মাস্ক। লোয়ির মতামতকে সমর্থন জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘ইয়েস’। স্টেশনের সাইনবোর্ড থেকে বাংলা লেখা সরিয়ে নিতে মাস্কের সমর্থন মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় বাংলা লেখা সাইনবোর্ড কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়, বরং এটিই স্বাভাবিক। এমন মন্তব্য করছেন টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রবাসী বাঙালিরা। অবশ্য চলমান বিতর্কে, বেশ কয়েকজন বৃটিশ এমপি রুপার্ট লোয়ির দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থনও জানিয়েছেন। আবার অনেকে বলছেন, স্টেশনে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা রাখা হয়েছে। এটি কোনও সমস্যা সৃষ্টি করছে না।

পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল, বাংলাদেশের অভিবাসী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় আবাসস্থল। তাদের ভাষা এবং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ২০২২ সালে হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বাংলা সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশি অভিবাসীদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সাইনবোর্ডটি স্থাপনের খরচ বহন করে টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল।

টিএ/

মন্তব্য করুন