বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এখন চৈত্র মাস, যা গরমের আগমনের সূচনা। গরমের এই মৌসুমে উষ্ণতা এবং আর্দ্রতার সাথে সমন্বয় করতে পোশাক নির্বাচন করা জরুরি। এই সময় সুতি বা হালকা ফ্যাব্রিকের পোশাক পরা সবচেয়ে ভালো। তবে শুধু ফ্যাব্রিক নয়, পোশাকের রংও শারীরিক অস্বস্তি কমাতে ভূমিকা রাখে।অনেকেই গরমে কালো রংয়ের চেয়ে সাদা রংয়ের পোশাক বেশি পরেন।
বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্য থেকে তাপ বিকিরণের কারণে সাদা রংয়ের পোশাক কম তাপ শোষণ করে, ফলে অস্বস্তি কম হয়। তবে সাদার পাশাপাশি আরো কয়েকটি রং রয়েছে যা আপনাকে গরমে আরামদায়ক ও স্টাইলিশ রাখতে সহায়তা করবে।
আকাশি
দিনের বেলায় যদি কোনো অনুষ্ঠান বা অফিসে যেতে হয়, আকাশি রঙের পোশাক একটি আদর্শ পছন্দ হতে পারে।
রৌদ্রজ্জ্বল দিনে আকাশি রঙ আপনাকে স্বস্তি দিবে ও সতেজ দেখায়।
ধূসর
ধূসর রং গরম ও ঠাণ্ডা সব মৌসুমেই জনপ্রিয়। ধূসর রং সূর্যের তাপ শোষণ করে না। সুতরাং এটি সাদা রঙের ভালো বিকল্প।
শাড়ি, সালোয়ার বা স্যুট-প্যান্ট—ধূসর সবসময় আলাদা লুক তৈরি করে।
বেজ
বেজ রং সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে এবং শরীর ঠান্ডা রাখে। এই মুহূর্তে বেজ রং ফ্যাশনে চলছে, তাই এটি পরলে ট্রেন্ডি দেখাবে।
প্যাস্টেল
প্যাস্টেল রংয়ের মধ্যে মিন্ট গ্রিন, ল্যাভেন্ডার, বেবি পিঙ্ক, মভ ইত্যাদি গরমে পরা বেশ আরামদায়ক। এই রংগুলোর তাপ শোষণের ক্ষমতা কম।
যা আপনাকে গরমে আরামদায়ক অনুভূতি দিবে।
যেসব রং এড়িয়ে চলা ভালো—
গাঢ় রঙ
কালো, গাঢ় বাদামি, গাঢ় নীল ইত্যাদি রং সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করে। এই ধরনের পোশাক দিনে পরলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। কারণ তাপ শোষণের ফলে ঘামও বাড়ে।
বোল্ড কালার
টকটকে লাল, ইলেকট্রিক ব্লু, গাঢ় কমলা, বার্গেন্ডি, মেটালিকস—এই রংগুলো গরমে এড়িয়ে চলাই ভালো। সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করার কারণে এ রংয়ের পোশাক শারীরিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।
এফপি/এসএন