বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার
ছবি : সংগৃহীত
১১:৪৪ পিএম | ১৯ এপ্রিল, ২০২৫
যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে সালিশের নামে বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা এবং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল হালিম। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অব্যাহতভাবে সংগঠনের নীতি আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
একইসঙ্গে চাঁচড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল হালিমকে ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ এপ্রিল গভীর রাতে সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে রাস্তা নির্মাণ নিয়ে এক সালিশ বৈঠকে গোলাম মোস্তফা ও আব্দুল হালিম করিচিয়া গ্রামের মালেকা বেগমের সেমি পাকা বাড়ি ভাঙচুর করেন।
এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী মালেকা বেগম কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত মালেকা বেগমের অভিযোগ, প্রতিবেশী ফজরের সঙ্গে রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিএনপি নেতাদের ডেকে এনে সালিশের নামে তাদের তিনটি আধাপাকা বাড়ি ভেঙে রাস্তা তৈরি ও লুটপাট করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা রয়েছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কেউ সালিশ বিচারে অংশ নিতে পারবে না। দলের নির্দেশনা অমান্য করায় দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলে যারা বিশৃঙ্খলা করবে; যে পদেই থাকুক না কেন তাদের বহিষ্কার করা হবে।
আরএ