© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে হামলা চালাল ইসরায়েল

শেয়ার করুন:
এবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে হামলা চালাল ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১১:২২ এএম | ০২ মে, ২০২৫

<div style="text-align: justify; ">সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে একটি লক

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে একটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার (২ মে) সকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একথা জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি ড্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষার প্রতিশ্রুতিও পুনরায় দিয়েছেন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এ নিয়ে গত দুই দিনের মধ্যে সিরিয়ায় ইসরায়েলের এটি দ্বিতীয় হামলা। মূলত সিরিয়ার ওই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষার বিষয়ে নেতানিয়াহুর দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এই হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ড্রুজ ও সুন্নি বন্দুকধারীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল।

রয়টার্স বলছে, ড্রুজরা এমন একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অনুসারী যা ইসলামের একটি শাখা থেকে উদ্ভূত। এ সম্প্রদায়ের মানুষ সিরিয়া, লেবানন এবং ইসরায়েলে বসবাস করে।

আর এই হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে— ইসরায়েল এখন সিরিয়ার ক্ষমতাসীন সুন্নি ইসলামপন্থিদের প্রতি গভীর অবিশ্বাস প্রকাশ করছে, যারা গত ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। আর এতে করে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার জন্য দেশের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা আরও চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াল।

নেতানিয়াহু এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন: “গতরাতে ইসরায়েল দামেস্কের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের কাছে হামলা চালিয়েছে। এটা সিরিয়ার শাসকগোষ্ঠীর প্রতি স্পষ্ট বার্তা: আমরা দামেস্কের দক্ষিণে কোনো বাহিনীকে অবস্থান করতে দেব না বা ড্রুজ সম্প্রদায়ের প্রতি কোনো হুমকিও বরদাশত করব না।”

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল “দামেস্কে প্রেসিডেন্ট আহমেদ হুসেইন আল-শারার প্রাসাদের কাছে”, তবে নির্দিষ্ট করে কোনো টার্গেটের নাম বলা হয়নি। সিরিয়ার পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।

প্রসঙ্গত, দামেস্কের উপকণ্ঠের প্রধানত ড্রুজ অধ্যুষিত জারামানা এলাকায় ড্রুজ ও সুন্নি বন্দুকধারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যাওয়ার পর গত মঙ্গলবার সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। মূলত একটি অডিও রেকর্ডিংকে ঘিরে এর সূত্রপাত হয়, যেখানে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) কে অবমাননা করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয় এবং সুন্নি যোদ্ধাদের সন্দেহ ছিল এটি একজন ড্রুজ তৈরি করেছেন।

মঙ্গলবারের ওই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হন। পরে বুধবার সহিংসতা দামেস্কের উপকণ্ঠের সাহনাইয়া শহরেও ছড়িয়ে পড়ে, যা মূলত ড্রুজ অধ্যুষিত এলাকা।

এফপি/টিএ 

মন্তব্য করুন