‘সামাজিক নিরাপত্তা বলয় আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন’
বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো ও এর গতি প্রকৃতির সাথে তুলনা করলে এ বাজেট বরাদ্দ খুব বেশী নয়। এদেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশী বিদেশী বিনিয়োগ তরান্বিত করা, অবকাঠামোগত উন্নয়নে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বৃদ্ধি, সামগ্রিক ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য বাজেটের পরিমান আরো বৃদ্ধি করার অবকাশ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশর (আইবিএফবি) সভাপতি হুমায়ুন রশিদ। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন রশিদ বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত অনুন্নয়ন বাজেটের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ব্যয়ের মাত্র ৩৮.৬৭ শতাংশ উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল।
ক্রমবর্ধমান আকারের বাজেট ও এর যথার্থ বাস্তবায়ন সরকারের রূপকল্প-২০২১ অর্জন অর্থাৎ আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন পূরণ করতে সহায়ক হবে, যোগ করেন তিনি।
হুমায়ুন রশিদ বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানার আয় ও ব্যয় নির্ধারণ জরিপ ২০১৬-তে প্রাপ্ত তথ্যমতে ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জে মাত্র ২.৬% দরিদ্র মানুষ রয়েছে, অথচ রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে ৭১% এবং এরপরেই দিনাজপুরে ৬৪% মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস করছে। এছাড়া রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটে দারিদ্যেও পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বাস্তবতার আলোকে পিছিয়ে পড়া বিভাগ বিশেষ করে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলা ও উপজেলাগুলোকে মূলধারার উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বাজেটে বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন বলে আইবিএফবি মনে করে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আইবিএফবির ডাইরেক্টর মজিবুর রহমান ও রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান প্রমুখ।
টাইমস/এএইচ/এসআই