© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর

শেয়ার করুন:
আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর

ছবি : সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:০৬ এএম | ১৩ মে, ২০২৫

<div style="text-align: justify;"><span style="">ফরিদপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি

ফরিদপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি মামলায় সদ্য নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১২ মে) দুপুর ১টার দিকে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ জিয়া হায়দার এই আদেশ দেন।

মামলার ২২ আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশে চার সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। হাইকোর্ট জামিনের মেয়াদ শেষে তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আশরাফ বলেন, আজ ছিল হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিনের শেষ দিন। এজন্য ২২ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক অসুস্থ বিবেচনায় নবাব আলী (৬৫) নামে এক আসামির জামিন মঞ্জুর করলেও বাকি ২১ জনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ পাহারায় আসামিদের আদালত প্রাঙ্গণ থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

যে সব আসামির জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন- আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম শেখ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হাসমত হোসেন তালুকদার, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল শেখ, উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মতিয়ার রহমান এবং গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান।

এছাড়া জামিন বাতিল হওয়া অন্য নেতাকর্মীরা হলেন- আবুল বাসার শেখ, বাদশা সিকদার, আসলাম মোল্লা, তাবিবুর রহমান, সেলিম শেখ, আব্দুল কুদ্দুস, আজিজুর রহমান তালুকদার, সুলতান মাহমুদ, আজিজ খন্দকার, শহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী, সৈয়দ আশরাফ আলী, আবুল হোসেন ও হাসান মিয়া।

আলফাডাঙ্গা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জানুয়ারি আলফাডাঙ্গা পৌরসদরের বুড়াইচ এলাকার ইদ্রিস সর্দারের ছেলে ও বিএনপির সমর্থক দিনমজুর লাভলু সর্দার আওয়ামী লীগের ১৭০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় আরও আড়াই থেকে তিন হাজার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

আরএম/এসএন


মন্তব্য করুন