চাকুরিচ্যুত সেনাসদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান,আইএসপিআর এর বিবৃতি
ছবি: সংগৃহীত
০৮:২২ পিএম | ১৪ মে, ২০২৫
<div style="text-align: justify;"><span style="">বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার গৌরবময় ঐতিহ্য এবং পেশাদারিত্ব
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার গৌরবময় ঐতিহ্য এবং পেশাদারিত্বের ধারাবাহিকতায় সাবেক সদস্যদের শাস্তি সংক্রান্ত আবেদনের যথাযথ পর্যালোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কতিপয় সাবেক সেনাসদস্যের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানানো হলে সেনাসদর তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে।১৪ মে (বুধবার) বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
আইএসপিআর সূত্রে জানানো হয়েছে, মানবিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতা বিবেচনায় এসব আবেদন মূল্যায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৮০২টি আবেদন গৃহীত হয়েছে, যার মধ্যে ১০৬টি আবেদন চূড়ান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি ৬৯৬টি আবেদন পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হলেও সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাহিনীর মতে, সামরিক শৃঙ্খলা একটি পেশাদার সেনাবাহিনীর মূল চালিকাশক্তি, আর তাই শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুরস্কার ও শাস্তির যথাযথ বিধান সেনা আইনে সংরক্ষিত রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সরকার ও সেনাবাহিনী সাবেক সেনাসদস্যদের ন্যায্য দাবি, সম্মান ও মর্যাদার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেনাবাহিনী মনে করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহানুভূতি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমেই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।
এ প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যেকোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এমআর/এসএন