ভারত-পাকিস্তান পারমাণবিক সংঘাত থেকে ‘অনেক দূরে’ ছিল: জয়শঙ্কর
ছবি : সংগৃহীত
০১:৪৩ পিএম | ২৭ মে, ২০২৫
<div style="text-align: justify;"><span style="">সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় ভারত ও পাকিস্তান পারমাণবিক সংঘ...
সাম্প্রতিক উত্তেজনার সময় ভারত ও পাকিস্তান পারমাণবিক সংঘাত থেকে ‘অনেক দূরে’ ছিল।কেননা ভারত কেবল পাকিস্তানের সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে পরিমাপিত এবং অ-উত্তেজক পদ্ধতিতে হামলা চালিয়েছে।
ভারত ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক উত্তেজনার বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
জার্মানি সফরের সময় ফ্রাঙ্কফুর্টার অলগেমেইন জেইতুং সংবাদপত্রকে জয়শঙ্কর বলেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ ‘খোলামেলা’ এবং দুদেশের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে পারমাণবিক সমস্যা তৈরির মতো গল্প ‘সন্ত্রাসবাদের মতো ভয়াবহ কার্যকলাপকে উৎসাহিত করে’।
ভারত ও পাকিস্তান পারমাণবিক সংঘাতের কতটা কাছাকাছি ছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেক, অনেক দূরে... আমরা সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যবস্তু করেছিলাম। আর সেগুলো খুব পরিমাপিত, সাবধানতার সঙ্গে বিবেচনা করা এবং অ-উত্তেজক পদক্ষেপ ছিল।’
তিনি বলেন, ‘যারা অন্ধ নন, তারা দেখতে পারবেন যে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো পাকিস্তানের শহরগুলোতে প্রকাশ্যে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসী তালিকা পাকিস্তানি নাম এবং স্থান দিয়ে পূর্ণ, এবং এই স্থানগুলোকেই আমরা লক্ষ্যবস্তু করেছি...পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ একটি অত্যন্ত উন্মুক্ত ব্যবসা। এমন একটি ব্যবসা যা রাষ্ট্রের মাধ্যমে সমর্থিত, অর্থায়ন, সংগঠিত এবং ব্যবহৃত হয়। এমনকি তাদের সামরিক বাহিনীও।
গত এপ্রিল মাসে ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হন। এই হামলার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে গত ৭ মে পাকিস্তানের নয়াটি স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। পালটা জবাবে ইসলামাবাদও ব্যাপক ড্রোন হামলা চালায় নয়াদিল্লিতে।
চার দিন ধরে উভয় দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গত ১০ মে উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
আরএম/এসএন